মঙ্গলবার ৩১ জানুয়ারি ২০২৩ ১৬ মাঘ ১৪২৯

ময়লার ড্রামে মিলেছে অসংখ্য স্প্রিন্টার, তদন্তে পুলিশ
ডেল্টা টাইমস্ ডেস্ক:
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৩, ৫:৫০ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

ময়লার ড্রামে মিলেছে অসংখ্য স্প্রিন্টার, তদন্তে পুলিশ

ময়লার ড্রামে মিলেছে অসংখ্য স্প্রিন্টার, তদন্তে পুলিশ

রাজধানীর মগবাজারে ময়লার ড্রামে বিস্ফোরণে চারজন আহত হওয়ার ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। সেখানে বিস্ফোরণের উপাদান পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থল থেকে অসংখ্য স্প্রিন্টার উদ্ধার করা হয়েছে। ময়লার ড্রামে বিস্ফোরকটি কীভাবে এসেছে তা খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে পরিদর্শন শেষে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) হারুন-অর রশীদ বলেন, বিস্ফোরক দ্রব্যটি ময়লার একটি প্লাস্টিকের ড্রামের মধ্যে ছিল। ভেতর থেকে ময়লা বের করার সময় তা বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরণের ঘটনাস্থলে অসংখ্য স্প্রিন্টার পাওয়া গেছে। কী উদ্দেশে বিস্ফোরকটি এখানে রাখা হয়েছিল আমরা সেটা বের করার জন্য কাজ করছি। বোম ডিস্পোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলে এসেছিল, তারা স্প্রিন্টারগুলো আলামত হিসেবে নিয়ে গেছে।

ডিএমপির ডিবি প্রধান বলেন, ময়লার ড্রামটিতে শক্তিশালী বিস্ফোরণে চারজন আহত হয়েছেন। একটা ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের সামনে এটা কেন রাখা হয়েছিল সেটা আমরা বের করার চেষ্টা করছি।

এরপর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার মো. আসাদুজ্জামান। এ সময় তিনি বলেন, ড্রাম থেকে বিস্ফোরক দ্রব্য ফেলে দেওয়ার সময় বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটে। বিস্ফোরণে চারজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে দুজন পথচারী। ঘটনার পরপর ঘটনাস্থলে আমাদের বোম ডিস্পোজাল টিম গিয়ে আলামত সংগ্রহ করে। আমরা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি, আগে থেকেই ড্রামের ভেতরে কেউ বিস্ফোরকটি রেখে দিয়েছিল। অসাবধানতাবশত ফেলে দেওয়ার কারণে বিস্ফোরণটি ঘটে। বিস্ফোরকটা কে রেখেছিল বা কীভাবে এখানে এসেছে, সেটা উদঘাটনের জন্য কাজ করছি।

আসাদুজ্জামান বলেন, এটা কী ধরনের বিস্ফোরণ ছিল, দেশি ককটেল নাকি অন্য কোনো বিস্ফোরক দ্রব্য তা জানার জন্য আমাদের বিশেষজ্ঞ টিম কাজ করছে।

ডিএমপির রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ বলেন, ‘এখানে বিস্ফোরকের উপাদান পাওয়া গেছে। পুলিশের বিশেষজ্ঞ দল কাজ করছে। এটি নিছক দুর্ঘটনা নাকি নাশকতা সে বিষয়ে নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তবে তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।’

আহত সাইফুল ইসলাম জানান, তার বাসা বাসাবোতে। মগবাজারে অগ্রণী অ্যাপার্টমেন্টের প্রকৌশলীর দায়িত্বে রয়েছেন তিনি। অফিসের উদ্দেশে সকালে বাসে করে বাসা থেকে মগবাজার ওয়্যারলেস গেটে যান। সেখানে উজ্জ্বল হোটেলের পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। তখন তিনি রাস্তায় পড়ে যান। পরক্ষণে তার শরীর থেকে রক্ত বের হতে থাকে। কীভাবে এ বিস্ফোরণ ঘটেছে, তা তিনি জানেন না।

আহত শাহীন জানান, তারা ওয়্যারলেস গেটে ডিপিডিসির শ্রমিক হিসেবে মাটি কাটার কাজ করছিলেন। তখন হঠাৎ বিস্ফোরণ হয়। এতে তাদের শরীরেও ক্ষত হয়েছে।

হাসপাতালে আরশাদ হোসেন ফাহিম নামে আরেক প্রকৌশলী জানান, যেখানে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে, তার পাশে একটি ফার্মেসির জানালা-দরজা ভেঙে গেছে।

এর আগে মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে মগবাজারের ওয়্যারলেস গেটে এই ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণে আহত চারজন হলেন প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম, ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ডিপিডিসি) শ্রমিক মো. তারেক, মো. শাহিন ও আবুল কালাম। আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।



ডেল্টা টাইমস্/সিআর/এমই

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
  এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. জাহাঙ্গীর আলম, নির্বাহী সম্পাদক: মো. আমিনুর রহমান
প্রকাশক কর্তৃক ৩৭/২ জামান টাওয়ার (লেভেল ১৪), পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত
এবং বিসমিল্লাহ প্রিন্টিং প্রেস ২১৯ ফকিরাপুল, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত।

ফোন: ০২-৪৭১২০৮৬১, ০২-৪৭১২০৮৬২, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. জাহাঙ্গীর আলম, নির্বাহী সম্পাদক: মো. আমিনুর রহমান
প্রকাশক কর্তৃক ৩৭/২ জামান টাওয়ার (লেভেল ১৪), পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত
এবং বিসমিল্লাহ প্রিন্টিং প্রেস ২১৯ ফকিরাপুল, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত।
ফোন: ০২-৪৭১২০৮৬১, ০২-৪৭১২০৮৬২, ই-মেইল : [email protected], [email protected]