রোববার ৯ আগস্ট ২০২০ ২৫ শ্রাবণ ১৪২৭

শাজাহানপুরে কাবিখা প্রকল্পের টাকা হাতিয়ে নিলেন স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা !
শাজাহানপুর(বগুড়া)প্রতিনিধি:
প্রকাশ: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২০, ৯:৩২ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ার শাজাহানপুরে ঘাস ঢেকে কাবিখা কর্মসূচীর একটি প্রকল্পের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন প্রকল্প সভাপতি জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের এক প্রভাবশালী নেতা।  এ ঘটনায় এলাকায় চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।  অপরদিকে, উপজেলা প্রকল্প অফিসের কার্যক্রম নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে!
শাজাহানপুরে কাবিখা প্রকল্পের টাকা হাতিয়ে নিলেন স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা !

শাজাহানপুরে কাবিখা প্রকল্পের টাকা হাতিয়ে নিলেন স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা !

উপজেলা প্রকল্প অফিস সুত্রে জানা গেছে, ২০১৯-২০ অর্থ বছরের কাজের বিনিমিয়ে খাদ্য(কাবিখা) কর্মসূচির ১ম পর্যায়ে আশেকপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ পারতেখুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ সংস্কার বাবদ ৮ টন চাউল বরাদ্দ করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাবলু।  যার সরকারি মূল্য ৩ লক্ষ ৪৭ হাজার ৯২০ টাকা।  এ টাকার সমমূল্যে সিডিউল হয়েছে।

এ সিডিউল অনুযায়ী কাজ বাস্তবায়ন করার কথা প্রকল্প সভাপতি’র।  কিন্তু ওই বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির ও প্রকল্পের সভাপতি, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সদস্য ও শাজাহানপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আলমগীর হোসেন স্বপন সিডিউলের তোয়াক্কা না করে নিজের ইচ্ছামত নামমাত্র কাজ করেছেন।

আজ শুক্রবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের মাঠের একাংশে বিট বালু/মাটি দিয়ে ঘাস ঢেকে দেওয়া হয়েছে।  বৃষ্টির পানিতে তা আবার ধুয়ে গিয়ে কোথাও কোথাও ঘাস বের হয়েছে।  স্থানীয়রা জানান, এ প্রকল্পের পুরো টাকাই কাজ না করে আত্মসাত করতে চেয়েছিলেন বিদ্যালয়ের সভাপতি।  সে কারণে তিনি মে মাসে দপ্তরী রেজাকে দিয়ে মাঠের এক অংশে আগাছানাশক স্প্রে করে ঘাস মেরে ফেলেন।

এতে বিদ্যালয়ের সবুজ মাঠের একাংশ সাদা হয়ে যায়।  নষ্ট হয় মাঠের সৌন্দর্য।  তখন দূর থেকে মাঠ দেখে মনে হচ্ছিল যেন মাঠে মাটি কাঁটা হয়েছে।  অফিসকে ম্যানেজ করে হয়ত পুরো টাকাই পকেটে তুলতেন। 

বিষয়টি নিয়ে একটি অন-লাইন নিউজ পোর্টালে সংবাদ প্রকাশ হয় ভেস্তে যায় সভাপতির অভিনব কৌশল।  গত ১০/১২ দিন পূর্বে ২০ ট্রাক বিট বালু/মাটি বিছিয়ে দিয়ে ঘাস ঢেকে দেওয়া হয়েছে।  সবোর্চ্চ বালু/মাটি বিছানোসহ ২৫/২৬ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।  প্রকল্প সভাপতি ক্ষমতাসীনদলের নেতা হওয়ায় কারণে এ লুটপাট তাঁদের মেনে নিতে হচ্ছে।  এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রকল্প ও বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আলমগীর হোসেন স্বপন জানান, কাজে কোন অনিয়ম করা হয়নি।  সিডিউল অনুযায়ী মাঠ সংস্কার করা হয়েছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা(অতিরিক্ত) রাশেদুল ইসলাম বলেন, দুই উপজেলার দায়িত্ব পালন করায় চরম ব্যস্ততার মধ্যে জুন ক্লোজিং শেষ করতে হয়েছে।  এ প্রকল্প দেখার সুযোগ-সময় হয়নি।  ৩০ জুন যাদের কাবিখা প্রকল্পের ডিও দেওয়া হয়েছে তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকার পে-অর্ডার নেওয়া হয়েছে।  আগামী সপ্তাহে প্রকল্প পরিদর্শন করা হবে।  যদি সিডিউল অনুযায়ী কাজ না পাই তাহলে কাজ না করা পর্যন্ত প্রকল্প সভাপতি পে-অর্ডার ফেরৎ পাবে না।


ডেল্টা টাইমস/সজিবুল আলম সজিব/আর এ

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
  এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: জাহাঙ্গীর আলম, নির্বাহী সম্পাদক: মো: আমিনুর রহমান
প্রধান কার্যালয়: মহাখালী ডিওএইচএস, রোড নং-৩১, বাড়ী নং- ৪৫৫, প্রকাশক কর্তৃক বিসমিল্লাহ প্রিন্টিং প্রেস থেকে মুদ্রিত
২১৯ ফকিরাপুল থেকে (১ম লেন নীচ তলা), মতিঝিল থেকে প্রকাশিত।  বাণিজ্যিক কার্যালয়: ৩৭/২ জামান টাওয়ার (১৫ তলা), পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।

ফোন: ০২-৪৭১২০৮৬১, ০২-৪৭১২০৮৬২, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: জাহাঙ্গীর আলম, নির্বাহী সম্পাদক: মো: আমিনুর রহমান
প্রধান কার্যালয়: মহাখালী ডিওএইচএস, রোড নং-৩১, বাড়ী নং- ৪৫৫, প্রকাশক কর্তৃক বিসমিল্লাহ প্রিন্টিং প্রেস থেকে মুদ্রিত
২১৯ ফকিরাপুল থেকে (১ম লেন নীচ তলা), মতিঝিল থেকে প্রকাশিত।  বাণিজ্যিক কার্যালয়: ৩৭/২ জামান টাওয়ার (১৫ তলা), পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।
ফোন: ০২-৪৭১২০৮৬১, ০২-৪৭১২০৮৬২, ই-মেইল : [email protected], [email protected]