রোববার ১ নভেম্বর ২০২০ ১৬ কার্তিক ১৪২৭

রায়ের বাস্তবায়ন চেয়ে এনটিআরসিএতে ১৩তম নিবন্ধনধারীরা
নিজস্ব প্রতিবেদক:
প্রকাশ: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৪:৫৭ পিএম আপডেট: ২৩.০৯.২০২০ ৫:০৩ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

রায়ের বাস্তবায়ন চেয়ে এনটিআরসিএতে ১৩তম নিবন্ধনধারীরা

রায়ের বাস্তবায়ন চেয়ে এনটিআরসিএতে ১৩তম নিবন্ধনধারীরা

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের কাছে আপিল বিভাগের রায়ের বাস্তবায়ন চেয়ে এনটিআরসিএতে আবেদন দিয়েছে ১৩ তম শিক্ষক নিবন্ধনধারীরা। 
২২ সেপ্টেম্বর ১৩ তম শিক্ষক নিবন্ধধারীদের পক্ষে আরিফুর রহমান, তানিয়া আক্তার, মোখলেস পাঠান, আবু সাঈদ, মোঃ বায়জীদ, মোঃ জসিমউদ্দীন হাওলাদার, শাহ এমরান, মোঃ মুশফিকুল আলম, ফান্নানা বিনতে মোহাম্মদ স্বাক্ষরিত এই আবেদন পত্র এনটিআরসিএ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়। 

উল্লেখ্য, ২০০৫ সালে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) গঠিত হওয়ার পর মোটামুটি সঠিকভাবেই শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা গ্রহণ ও সনদ প্রদানের কাজ করে আসছিল। আর সারা দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো (স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা) কমিটির মাধ্যমে নিয়োগের কাজ সম্পন্ন করতেন। কমিটির হাতে নিয়োগদানের ক্ষমতা থাকায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ছিল প্রতিষ্টানটির বিরুদ্ধে। এসকল অভিযোগের ভিত্তিতে ২০১৫ সালের ২২ অক্টোবর এক পরিপত্রের মাধ্যমে নিয়োগের ক্ষমতা এনটিআরসিএর হাতে চলে যায়।

২২ অক্টোবর ২০১৫ সালে তৎকালীন শিক্ষা সচিব জনাব এন আই খান কর্তৃক নতুন পরিপত্র জারী করা হয়। সেখানে বলা হয়- প্রতি বছর একটি নিবন্ধন পরীক্ষার মাধ্যমে উপজেলা, জেলা ও জাতীয় মেধার ভিত্তিতে উত্তীর্ণদের নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে এনটিআরসিএ।
রায়ের বাস্তবায়ন চেয়ে এনটিআরসিএতে ১৩তম নিবন্ধনধারীরা

রায়ের বাস্তবায়ন চেয়ে এনটিআরসিএতে ১৩তম নিবন্ধনধারীরা

এরই প্রেক্ষিতে ২০১৬ সালে ১৩ তম বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা গ্রহন করা হয়, যা তিন ধাপে তথা প্রিলি রিটেন ভাইভা পরীক্ষা নিয়ে চুরান্তভাবে উত্তীর্ণ করানো হয়। কিন্তু তিন ধাপে উত্তীর্ণ হয়ে ১৩ তম শিক্ষক নিবন্ধনধারীদের নিয়োগ না দেয়ায় তারা হতাশা হয়ে পড়ে। সংক্ষুব্ধ সনদধারীরা এনটিআরসিএসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে স্মারকলিপি এবং  মানবন্ধন করেন।  তাতেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের টনক না নড়লে ১৩ তমে উত্তীর্ণ কিছু সংক্ষক নিবন্ধনধারী ২০১৭ সালে মহামান্য হাইকোর্টে রীট পিটিশন দায়ের করেন।

দীর্ঘ শুনানি শেষে  গত ০৫ নভেম্বও ২০১৮ তারিখে বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি খিজির আহমেদের দ্বৈত বেঞ্চ ১৩ তম বেসরকারী শিক্ষক নিবন্ধনধারীদের গেজেট ও পরিপত্র অনুযায়ী ৬০ দিনের মধ্যে নিয়োগের নির্দেশনা দিয়ে রায় দেন।  এনটিআরসি এর তৎকালীন চেয়ারম্যান জনাব আশফাক হোসেন এই রায়কে চেম্বারকোর্টে স্টে করিয়ে ২য় গনবিজ্ঞপ্তি দেন। যৌক্তিক শুনানীর পর চেম্বারকোর্ট থেকে স্টে অর্ডার বাতিল করার পর এন টি আর সি এ রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রীমকোর্টে আপিল করেন। গত ১২ মার্চ ২০২০ তারিখ আপিলের রায় হয়। 

করোনার কারণে দীর্ঘদিন পর পূর্ণাঙ্গ রায়ের কপি প্রকাশিত হয়। এ রায়ে ১৩ তম শিক্ষক নিবন্ধন সনদধারীদের হাইকোর্ট বিভাগের রায় বহাল রাখা হয়। 


১৩ তম শিক্ষক নিবন্ধন সনদধারী রীটপিটিশনারদের নিয়োগদানের ব্যাপারে জানতে চাইলে এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান আকরাম হোসেন এ প্রতিবেদককে বলেন, আমরা মন্ত্রণালয় এবং অ্যাটর্নি  জেনারেলের সিদ্ধান্ত মোতাবেক সামনে আগাবো। 


ডেল্টা টাইমস্/জাহিদ হাসান/সিআর/জেড এইচ

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
  এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: জাহাঙ্গীর আলম, নির্বাহী সম্পাদক: মো: আমিনুর রহমান
প্রধান কার্যালয়: মহাখালী ডিওএইচএস, রোড নং-৩১, বাড়ী নং- ৪৫৫, প্রকাশক কর্তৃক বিসমিল্লাহ প্রিন্টিং প্রেস থেকে মুদ্রিত
২১৯ ফকিরাপুল (১ম লেন নীচ তলা), মতিঝিল থেকে প্রকাশিত।  বাণিজ্যিক কার্যালয়: ৩৭/২ জামান টাওয়ার (১৫ তলা), পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।

ফোন: ০২-৪৭১২০৮৬১, ০২-৪৭১২০৮৬২, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: জাহাঙ্গীর আলম, নির্বাহী সম্পাদক: মো: আমিনুর রহমান
প্রধান কার্যালয়: মহাখালী ডিওএইচএস, রোড নং-৩১, বাড়ী নং- ৪৫৫, প্রকাশক কর্তৃক বিসমিল্লাহ প্রিন্টিং প্রেস থেকে মুদ্রিত
২১৯ ফকিরাপুল (১ম লেন নীচ তলা), মতিঝিল থেকে প্রকাশিত।  বাণিজ্যিক কার্যালয়: ৩৭/২ জামান টাওয়ার (১৫ তলা), পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।
ফোন: ০২-৪৭১২০৮৬১, ০২-৪৭১২০৮৬২, ই-মেইল : [email protected], [email protected]