শুক্রবার ৩০ অক্টোবর ২০২০ ১৪ কার্তিক ১৪২৭

নীলফামারীতে বন্যার অজুহাতে সবজির দাম লাগামহীন
নীলফামারী প্রতিনিধি :
প্রকাশ: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২০, ৬:০৮ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

নীলফামারীতে এখন সবজি কিনতেই ক্রেতাদের টাকা শেষ হয়ে যাচ্ছে। প্রতিদিনই বাড়ছে প্রতিটি সবজির দর। ২০০ টাকার সবজি কিনতে হচ্ছে এখন ৫০০ টাকায়। বাজারে এখন সব থেকে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে নতুন আসা সিম। খুচরা বাজারে সিম বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে। দামের দিক থেকে এর পরেই রয়েছে পটল। বিভিন্ন বাজারে পটল বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজি দরে। দু’একটি বাদে ৬০ টাকা কেজির নীচে সবজি নেই বললেই চলে। বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকার পরও কেন সবজির দাম বেশী এর কোন যৌক্তিক ব্যাখ্যা নেই বিক্রেতার কাছে। ফলে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে স্বল্প আয়ের মানুষকে।
নীলফামারীতে বন্যার অজুহাতে সবজির দাম লাগামহীন

নীলফামারীতে বন্যার অজুহাতে সবজির দাম লাগামহীন

শনিবার (১৬ অক্টোবর) নীলফামারীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। সবজি ব্যবসায়ীরা বলেছেন, জেলায় ভারী বর্ষণ ও পর পর তিনবারের বন্যায় সবজি ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ফলে বেড়েছে সব সবজির দাম । বাজার করতে আসা চাকরিজীবী আল আমিন অনেকটা ক্ষোভের সাথে বলেন, সবজি আর মধ্যবিত্তের খাবার নয়। এবার স্মরণকালের রেকর্ড ভেঙ্গে আলু বিক্রি হচ্ছে ৫০/৫৫ টাকা কেজি দরে। এছাড়া চিচিঙ্গা (কায়তা) ৫০/৬০, টমেটো ১০০/১২০ টাকা, বেগুন ৬০ টাকা, ঝিঙ্গা ৫০ টাকা, কচুর লতি ৬০ টাকা, বরবটি ৭০ টাকা, বাঁধা কপি ৫০/৬০ টাকা, করলা ৬৫/৭০ টাকা, কচু ৩৫/৪০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা, কাকরোল ৭০ টাকা, খিরা ৪০/৫০ টাকা, মিস্টি কুমড়া ৩০/৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া লাউ ৪০ টাকা, শোলা কচু ৩০/৩৫ টাকা পিস হিসেবে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

 এদিকে সবজি দামের সাথে সাথে কাঁচামরিচের ঝাঁলও কমছে না। বাজারে পূর্বের বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে। প্রতিটি বাজারেই কাঁচামরিচ ২০০/২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমে ৮৫/৯০ টাকা কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে। বিভিন্ন ধরণের শাকও ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি করতে দেখা গেছে বিক্রেতাদের। সংসারের প্রয়োজনীয় ওইসব পণ্যের অগ্নিমূল্যের বিষয়ে সৈয়দপুর আধুনিক পৌর সবজিবাজারে সবজি কিনতে আসা স্কুল শিক্ষক রেজা মাহমুদের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, বাজারে সবজি নিতে এসে দাম শুনে মাথাই ঘুরে গেছে আমার। দামের কারণে বাধ্য হয়ে ফর্দির তালিকা ছোট করেছি। তিনি বলেন, গত বিশ বছরেও সবজির এমন মূল্য দেখা যায়নি।

কারখানা গেট বাজারে কথা হয় দোকান কর্মচারি শামীম আহমেদ, হোটেল শ্রমিক রমজান, রিক্সাচালক রবিনের সাথে। তারা বলেন, বর্তমানে সবজির বাজারে যে অবস্থা চলছে, তাতে তাদের সবজি কেনা কস্টকর হয়েছে। সবধরণের সবজির মূল্যবৃদ্ধির কারণে ১০০/১৫০ টাকা দিয়েও এক বেলার তরকারি হচ্ছে না। বাজারে সবজির ঘাটতি হলে দাম বাড়ে। কিন্তু বাজারে কোনো সবজির ঘাটতি না থাকলেও বন্যার অজুহাতে বিক্রেতারা দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন।




ডেল্টা টাইমস্/আমিরুল হক/সিআর/জেড এইচ

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
  এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: জাহাঙ্গীর আলম, নির্বাহী সম্পাদক: মো: আমিনুর রহমান
প্রধান কার্যালয়: মহাখালী ডিওএইচএস, রোড নং-৩১, বাড়ী নং- ৪৫৫, প্রকাশক কর্তৃক বিসমিল্লাহ প্রিন্টিং প্রেস থেকে মুদ্রিত
২১৯ ফকিরাপুল (১ম লেন নীচ তলা), মতিঝিল থেকে প্রকাশিত।  বাণিজ্যিক কার্যালয়: ৩৭/২ জামান টাওয়ার (১৫ তলা), পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।

ফোন: ০২-৪৭১২০৮৬১, ০২-৪৭১২০৮৬২, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: জাহাঙ্গীর আলম, নির্বাহী সম্পাদক: মো: আমিনুর রহমান
প্রধান কার্যালয়: মহাখালী ডিওএইচএস, রোড নং-৩১, বাড়ী নং- ৪৫৫, প্রকাশক কর্তৃক বিসমিল্লাহ প্রিন্টিং প্রেস থেকে মুদ্রিত
২১৯ ফকিরাপুল (১ম লেন নীচ তলা), মতিঝিল থেকে প্রকাশিত।  বাণিজ্যিক কার্যালয়: ৩৭/২ জামান টাওয়ার (১৫ তলা), পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।
ফোন: ০২-৪৭১২০৮৬১, ০২-৪৭১২০৮৬২, ই-মেইল : [email protected], [email protected]