বুধবার ২৫ নভেম্বর ২০২০ ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭

গৌরবের ৪২ বছরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
আবু তালহা আকাশ
প্রকাশ: শনিবার, ২১ নভেম্বর, ২০২০, ৬:৫৮ পিএম আপডেট: ২১.১১.২০২০ ৮:০৬ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশের প্রথম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় "ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়"। হাঁটিহাঁটি পা পা করে আজ ৪২তম জন্মদিন উদযাপন করছে। বিগত ৪১ বছরে বিশ্ববিদ্যালয়ের রয়েছে গৌরবজ্জ্বল ইতিহাস ও ঐতিহ্য। অন্যান্য বছর গুলোতে নানা রকম উৎসব ও অনুষ্ঠান সূচী পালন করে থাকলেও এবারে করোনা মহামারির কারণে নেই কোন উৎসব-অনুষ্ঠান। যা দুঃখজনক হলেও সত্য।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

বিগত এই ৪১ বছরের এত দীর্ঘ সময়ে ইবি কে নিয়ে, চাওয়া, পাওয়া, না পওয়া, সবকিছু মিলিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়েরর উপাচার্যসহ সম্মানিত শিক্ষক, ছাত্র নেতা ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের অভিব্যক্তিগুলো তুলে ধরেছেন  আবু তালহা আকাশ।

প্রফেসর ড. শেখ আব্দুস সালাম

প্রফেসর ড. শেখ আব্দুস সালাম


♦প্রফেসর ড. শেখ আব্দুস সালাম
উপাচার্য, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্মদিন এটা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবাবের সদস্য হিসেবে আমাদের সবারই একটি আনন্দের ব্যাপার।  বিশেষ করে ছাত্র-শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী আমাদের সকলের ভেতর খুশি এবং আমেজের চেতনা তৈরি হয়। তবে আমেজের এই চেতনা  অবশ্যই হতে হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্ঞান/শিক্ষা সৃজন ও বিতরণকে কেন্দ্র করে।  এই চেতনাকে কেন্দ্র করেই যেন আমরা  বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নতি সাধনের একটি সুখময় স্বপ্ন দেখি। যেন জ্ঞান/শিক্ষা সৃজন ও বিতরণের ক্ষেত্রে আমরা সকলে স্ব-স্ব অবস্থান থেকে আন্তরিকতার সাথে নিবিড়ভাবে সেই ভূমিকাই রাখতে পারি। এই করনাকালীন সময়ে হয়তো আমাদের উদযাপন কম থাকবে কিন্তু  বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্মদিন উপলক্ষে আনন্দময় অনুভূতির একটুও কমতি থাকবে না। জন্মদিন  মানে তার বয়স এক বছর বৃদ্ধি পাওয়া, এই বয়স বৃদ্ধির  সাথে সাথে যেন আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় রিদ্দ এবং সমৃদ্ধ প্রতিষ্ঠানে পরিনত হয় এটাই আমাদের প্রত্যাশা ও কামনা।

প্রফেসর ড. রেবা মন্ডল

প্রফেসর ড. রেবা মন্ডল


♦প্রফেসর ড. রেবা মন্ডল
আইন বিভাগ, সাবেক ডীন, আইন অনুষদ, ইসলামী বিশ্ববদ্যালয় ও সাবেক আইন প্রশাসক, ইসলামী বিশ্ববদ্যালয়।

প্রতিটি ইউনিভার্সিটি ইউনিভার্সাল নোশনের উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ও তার ব্যতিক্রম নয়। মূলত বিশ্ববিদ্যালয় একটি সর্বজনীন জ্ঞান চর্চার মুক্ত স্থান। 'ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়' নাম মানেই এর অর্থ এই নয় যে, এখানে শুধুমাত্র ইসলামিক জ্ঞান চর্চা করা হয়। এখানে সকল বিষয়ের মুক্ত চর্চা করা হয়। পৃথিবীর সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো এখানেও  সবধরনের  জ্ঞান-বিজ্ঞান, ইতিহাস, সাহিত্য, আইন, লোকসাহিত্য, রাজনীতি, সমাজনীতি, চারুকলাসহ সব বিষয়ের চর্চা, পড়ালেখা ও গবেষণা হয়। আইন, ধর্মতত্ত্ব, সামাজিক বিজ্ঞান, কলা, ব্যবসায় প্রশাসন ও  বিজ্ঞানসহ মোট ৮ টি অনুষদের অধীনে ৩৪টি বিভাগে শিক্ষা কার্যক্রম চালু রয়েছে এখানে ।
একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে কি চাইতে পারি? বিশ্ববিদ্যালয় এমন চেতনায় বিশ্বাস করে যে, আমাদের ছাত্ররা সমাজ, দেশ ও জাতির গন্ডি পেরিয়ে বিশ্বজনীন কল্যাণের কথা চিন্তা করবে। তারা প্রকৃত, যৌক্তিক ও মানবিক মানুষ হিসাবে গড়ে উঠবে।  এক্ষেত্রে UDHR-এর কথা বলা যেতে পারে। যাতে বলা হয়েছে- Every one has duties to the society in which alone the free and full development of his personality is possible.  বিশ্ববদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা সবাই উন্মুক্ত জ্ঞানের চর্চা করবে। তারা সর্বজনীন হয়ে উঠবে। তারা দেশ, জাতি এবং মানবতার সেবায় নিজেদের উৎসর্গ করবে। এটাই চাওয়ার..
আমি দীর্ঘ ২১ বছর থেকে এখানে যেটা দেখছি এখানে শিক্ষার্থীদের মানসিকতা, মনুষ্যত্ব, চিন্তা, চেতনা, মনন, দর্শন, মানবীয় কর্তব্য, সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব এগুলো জানাতে-বোঝাতে এবং  শেখাতে বিভিন্ন সেমিনার-সিম্পোজিয়ামের  আয়োজন করা হয়। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লালন করে তাঁর স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে প্রকৃত শিক্ষাই আমাদের শিক্ষার্থীদের দেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বজনীন চেতনাকে লালন করে বিশ্ববদ্যালয় প্রশাসন বিশ্ববদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

প্রফেসর ড. মো. আনোয়ার হোসেন

প্রফেসর ড. মো. আনোয়ার হোসেন


♦প্রফেসর ড. মো. আনোয়ার হোসেন
অধ্যাপক ও বিভাগীয় চেয়ারম্যান, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়।

স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ৪১তম বছর পেরিয়ে ৪২তম বছরে পদার্পণ করছে। এ সুদীর্ঘ সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়টি যে উচ্চ মাত্রায় পৌঁছানোর কথা ছিল নানান সীমাবদ্ধতার কারণে সেখানে বর্তমান সময় অবধি এখনও যেতে পারেনি। বিষয়টি ভেবে কষ্ট পাই। তবে আশা জাগে এই ভেবে যে, এখানকার মেধাবী শিক্ষকগণ তাদের মেধা, মনন, দক্ষতা ও ন্যায়নিষ্ঠতা নিয়ে স্ব-স্ব দায়িত্ব পালন করলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইষ্পিত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পূরণ সম্ভব হবে। এক্ষেত্রে আমাদের প্রধান দাবিদার ছাত্র-ছাত্রী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও আন্তরিক  হতে হবে। তবেই আমরা আমাদের কাঙ্খিত লক্ষে পৌঁছাতে পারবো, ইনশাআল্লাহ্।
মো. আখতার হোসেন আজাদ

মো. আখতার হোসেন আজাদ


♦ মো. আখতার হোসেন আজাদ
ছাত্রনেতা, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়।

স্বাধীন বাংলাদেশে স্থাপিত প্রথম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করার সুযোগ পেয়ে আমি গর্ববোধ করি। প্রতিষ্ঠার পর থেকে নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে ৪২ বছরে পা দিয়েছে দেশের অন্যতম সর্বোচ্চ এই বিদ্যাপীঠ। শিক্ষা, গবেষণা, সংস্কৃতি, খেলাধুলাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রশংসনীয় অবদান থাকলেও বেশ কিছু বিষয়ে অপ্রাপ্তির তৃষ্ণা রয়েছে।
আবাসন ও পরিবহন সমস্যা, রাজনৈতিক অস্থিরতা, শিক্ষকদের মাত্রাতিরিক্ত রাজনীতি এবং নিয়মিত কোর্সের মনোযোগ না দিয়ে সান্ধ্যকালীন কোর্সে বিশেষ আগ্রহ ক্যাম্পাসের শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ বাধাগ্রস্থ করে। শিক্ষার্থীদের দাবি আদায়ের অন্যতম মাধ্যম ছাত্র সংসদ গঠনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অনাগ্রহ আমাদের হতাশ করে।
শত বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে শিক্ষা, গবেষণা ও বিভিন্ন গঠনমূলক কাজে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সফলতার মাত্রা ছাড়িয়ে যায় এই প্রত্যাশা করছি।
মোস্তাফিজুর রহমান

মোস্তাফিজুর রহমান


♦মোস্তাফিজুর রহমান
ছাত্রনেতা, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়।

প্রতিষ্টালগ্ন থেকে নানা  ঘাত প্রতিঘাত ও প্রতিকূলতায় বিরাজমান ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় আজ আন্তর্জাতিকীকরণের পথে। এটি দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের জ্ঞান চর্চায় অন্যতম বিদ্যাপীঠ। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়েরর ৪২ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে আমাদের প্রাণের দাবি ইবিকে সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত, সম্পূর্ণ আবাসিক সুবিধা নিশ্চিত, জ্ঞান ও সাংস্কৃতিক চর্চার উর্বর ক্ষেত্র হিসাবে গড়ে তোলা। বিশেষ করে দুই শহরের বাইরে হওয়ায় ক্যাম্পাসের ছাত্র-ছাত্রীদের টিউশনি সহ নানা প্রয়োজনে তাদের প্রতিনিয়ত শহরে যেতে হয়। যার জন্য পরিবহন সমস্যাটা অনেক বড় একটা সমস্যা। কুষ্টিয়া থেকে ঝিনাইদহ শাটল ট্রেন চালু করন এবং ভাড়া গাড়ীর পরিবর্তে পরিবহন পুলে স্বনির্ভরতা অর্জন যেন সময়ের দাবী। এছাড়াও সেশনজট মুক্ত করে শিক্ষাপদ্ধতির উন্নয়নে প্রশাসনের সূদুর প্রসারী মানউন্নয়নেরও প্রয়োজন।
এস এ এইচ ওয়ালিউল্লাহ

এস এ এইচ ওয়ালিউল্লাহ


♦এস এ এইচ ওয়ালিউল্লাহ
শিক্ষার্থী, আল-ফিকহ এন্ড লিগ্যাল স্টাডিজ বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববদ্যালয়।

নানা চড়াই-উৎরাইয়ের মধ্যদিয়ে  ৪২ বছরে পদার্পণ করেছে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকারি বিশ্ববদ্যালয়। প্রতিষ্ঠার গত ৪১ বছরে নানা প্রতিকূলতা পার করতে হয়েছে প্রতিষ্ঠানটিকে। ক্যাম্পাস পরিবর্তনের মত বৈরীতাও সামাল দিতে হয়েছে একাধিকবার। প্রতিষ্ঠার এত দিনেও দূর হয়নি বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন সংকট। এছাড়াও পরিবহণ সমস্যা, যুগোপযোগী শিক্ষার অভাব, মাত্রাতিরিক্ত ভর্তি ফি বৃদ্ধি এবং শিক্ষকদের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিবাদ নির্দেশ করে এখনো প্রত্যাশার অনেক কিছুই অপূর্ণ।

তবে এসব কিছু ছাপিয়ে বিগত কয়েকটি বছরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রা ছিলো চোখে পড়ার মত। অতীতের সকল অপূর্ণতা, অপ্রাপ্তি আর বাঁধা ডিঙ্গিয়ে প্রাণের বিশ্ববিদ্যালয়ের জয়গান প্রতিধ্বনিত হোক দিকদিগন্তে। শিক্ষা-গবেষণায় বিশ্বব্যাপী অধিষ্ঠিত হোক অনন্যতার সাথে। এই কামনায়- শুভ জন্মদিন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়।
সুমনা শোভা

সুমনা শোভা


♦সুমনা শোভা
শিক্ষার্থী, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ; ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪২ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। প্রতিটা বছর দিনটাকে ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকলের মাঝে এক অন্য রকম উচ্ছ্বাস বিরাজ করে। প্রধান ফটক থেকে সমস্ত ক্যাম্পাস আলোকসজ্জায় পরিপূর্ণ থাকে। র্যালী, বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও জাক জমকে পালিত হয় দিনটি। তবে এবার করোনা মহামারীর কারণে ১৭৫ একরের প্রাণের ক্যাম্পাস নব সাজে সজ্জিত হবেনা, ছাত্র ছাত্রীদের কলোরবে মুখরিত হয়ে নেই কোন আয়োজন। স্বাধীনতার পর নির্মিত প্রথম সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়টি এখন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এগিয়ে যাচ্ছে।  আমি মনে করি করোনা মহামারী এই পরিস্থিতি কাটিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ আরো শিক্ষাবান্ধব হয়ে উঠবে। একদিন সৌন্দর্যের পাশাপাশি শিক্ষার গুনগত মানের দিক দিয়েও সেরা হিসেবে বিবেচিত হবে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়টি।  প্রতি বছর সেশনজট মুক্ত,  শিক্ষাবান্ধব,  সুন্দর পরিবেশে হাজার খানেক শিক্ষিতরা সুশিক্ষিত মানুষ হয়ে সুনাম বয়ে আনবে প্রানের ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের।


সাক্ষাৎকারে আবু তালহা আকাশ
সাংগঠনিক সম্পাদক; বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।
শিক্ষার্থী : ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়,  বাংলাদেশ।


« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
  এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: জাহাঙ্গীর আলম, নির্বাহী সম্পাদক: মো: আমিনুর রহমান
প্রধান কার্যালয়: মহাখালী ডিওএইচএস, রোড নং-৩১, বাড়ী নং- ৪৫৫, প্রকাশক কর্তৃক বিসমিল্লাহ প্রিন্টিং প্রেস থেকে মুদ্রিত
২১৯ ফকিরাপুল (১ম লেন নীচ তলা), মতিঝিল থেকে প্রকাশিত।  বাণিজ্যিক কার্যালয়: ৩৭/২ জামান টাওয়ার (১৫ তলা), পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।

ফোন: ০২-৪৭১২০৮৬১, ০২-৪৭১২০৮৬২, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: জাহাঙ্গীর আলম, নির্বাহী সম্পাদক: মো: আমিনুর রহমান
প্রধান কার্যালয়: মহাখালী ডিওএইচএস, রোড নং-৩১, বাড়ী নং- ৪৫৫, প্রকাশক কর্তৃক বিসমিল্লাহ প্রিন্টিং প্রেস থেকে মুদ্রিত
২১৯ ফকিরাপুল (১ম লেন নীচ তলা), মতিঝিল থেকে প্রকাশিত।  বাণিজ্যিক কার্যালয়: ৩৭/২ জামান টাওয়ার (১৫ তলা), পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।
ফোন: ০২-৪৭১২০৮৬১, ০২-৪৭১২০৮৬২, ই-মেইল : [email protected], [email protected]