বুধবার ৮ ডিসেম্বর ২০২১ ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৮

নারীর ক্ষমতায়ন: তথ্য-প্রযুক্তির বহুমুখী ব্যবহার
মো: জাহাঙ্গীর আলম
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২১, ৬:২৫ পিএম আপডেট: ১৪.১০.২০২১ ৭:১৭ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

করোনা মহামারির মাঝে বেসকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তন্ময় সিকদার তার মাস্টার্স এর ফাইনাল থিসিসের জন্য তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ নিয়ে খুব চিন্তায় পড়ে যায়। তন্ময় এর বড় আপা নাজমা সিকদার তাকে আশ্বসত্ব করলেন তথ্য-প্রযুক্তির সাহায্যে খুব সহজেই তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা সম্ভব। তাই তাকে কোনো চিন্তা না করার পরার্মশ প্রদান করে। নাজমা সিকদার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সাহায্যে খুব অল্প সময়ে সহজে তন্ময় এর তথ্য সংগ্রহের কাজটি করে তাকে দুচিন্তা থেকে মুক্তি দেয়। মূলতঃ ইন্টারনেট ব্যবহার করে অনলাইল থেকে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের ঠিকানা সংগ্রহ করে এবং  মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তাদের ইন্টারভিউ করে। এভাবেই সে তার ভাই তন্ময়কে দুঃচিন্তা থেকে উদ্ধার করে। তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) জ্ঞান ও ব্যবহার থাকায় নাজমা সিকদার সহজেই তার ভাইকে সাহায্য করতে পেরেছে। 

অপর দিকে বিপাশা মজুমদার একটি রিসার্চ অ্যান্ড কনসালটেন্ট প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। তথ্য-প্রযুক্তি সাহায্যে পুরো করোনা মহামারি (কোভিড-১৯) সময়টা বাসায় থেকে অফিস করেছেন। তথ্য-প্রযুক্তির সাহায্যে সকল কাজ ইন্টারনেট ব্যবহার করে শেষ করেন এবং তা নির্ধারিত  সময়ের মধ্যে অফিসে জমা দেয়। দিলরুবা জামান একটি বেসরকারি স্কুলে ইংরেজি ভার্ষনের শিক্ষিকা। সে জানালো তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহারটা জানতাম বলেই কোভিড-১৯ এর পুরো সময়টা বাসায় থেকে স্কুলে চাকরিটা করতে পেরেছি। সায়মা আফরোজা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি পেজ খুলে চার বছর ধরে বাসায় বসে নিজের তৈরি হ্যান্ডি ক্র্যাফট (হাতে তৈরি) পণ্য তৈরি করে বিক্রি করে। অনলাইনে পণ্যেরে অর্ডার নিচ্ছেন, ডেলিভারি ম্যান দিয়ে অর্ডার পৌছেঁ দিচ্ছেন। নাজমা, বিপাশা, দিলরুবা ও সায়মা মতো আজ অনেক নারীই তথ্য-প্রযুক্তি (আইসিটি) জ্ঞান ও এর ব্যবহার করে পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও তাদের পেশায় এগিয়ে যাচ্ছে যেমন, তেমনভাবে তাদের ক্ষমতায়নও হচ্ছে। নানাভাবেই তথ্য-প্রযুক্তি কর্মজীবি নারীদের সহায়তা করছে। বিশেষ করে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের সূচনালগ্নে নারী উদ্যোক্তাদের জন্য তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার ব্যাপকভাবে প্রয়োজন। বাংলাদেশের নারীরা পিছিয়ে নেই, অন্যান্য খাতের মতো তথ্যপ্রযুক্তি খাতেও ইদানীং নারীর সম্পৃক্ততা বাড়ছে। শিল্প-সমৃদ্ধ উন্নত আয়ের দেশে যেতে হলে নারীকে তথ্যপ্রযুক্তির আওতায় আনার কোনো বিকল্প নেই। 

বাংলাদেশের জনগোষ্ঠীর প্রায় অর্ধেকই নারী। দেশের সমগ্র নারী সমাজকে সাথে নিয়েই আমাদের উন্নয়নের পথে হাঁটতে হবে। ২০৪১ সালের সালে শিল্প-সমৃদ্ধ উন্নত আয়ের দেশে যেতে হলে আমাদেরকে নারী-পুরুষ সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। এ দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে নারীর অংশগ্রহণ ব্যাপক ভূমিকা রাখতে সক্ষম হয়েছে। কেননা, এদেশের নারীরা উন্নত আয়ের দেশ গড়ার লক্ষ্যে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে শামিল করেছে পুরুষের সাথে। তথ্যপ্রযুক্তির উপযুক্ত জ্ঞান এর ব্যবহার নারীদের কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখছে, নারী উদ্যোক্তা তৈরি হচ্ছে, দেশকে উন্নতি আর সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিচ্ছে। এ সাথে তা নারীদের অধিকার রক্ষা ও ক্ষমতায়নেও সহায়ক ভূমিকা রাখছে। তাছাড়া দেশের অরথনৈতিক অগ্রগতিকে আরো বেগবান এবং পুরুষের সমান অংশগ্রহন নিশ্চিত করতে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যাপক অবদান রয়েছে।

সরকারের রূপকল্প-২০২১ ও রূপকল্প-২০৪১, অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা (২০২১-২০২৫) এবং  টেকসই উন্নয়ন  লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি-৫) অর্জনসহ নারীর ক্ষমতায়নের বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করছে। অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকান্ডে নারীর অংশগ্রহণ ও ক্ষমতায়ন দেশের সার্বিক অগ্রগতির অন্যতম শর্ত। নিঃসন্দেহে নারীর ক্ষমতায়নে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে। বাংলাদেশে শহর-গ্রামের অসহায়, দরিদ্র, সুবিধাবঞ্চিত কিংবা কম সুবিধাপ্রাপ্ত নারীসহ সকল নারীদের তথ্যে প্রবেশাধিকার এবং এ বিষয়ক সেবাপ্রাপ্ত নি:সন্দেহে নারীর ক্ষমতায়নকে ত্বরান্বিত করবে। তথ্য-প্রযুক্তির মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ “তথ্যআপা: ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে মহিলাদের ক্ষমতায়ন” শীর্ষক একটি প্রকল্প গৃহীত হয়। এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জাতীয় মহিলা সংস্থার মাধ্যমে প্রকল্পটির ১ম পর্যায়ে ১৩টি উপজেলায় প্রকল্প কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করা হয়।

ডিজিটাল বিপ্লবের এই যুগে তথ্যপ্রযুক্তিতেও বিশ্বজুড়ে নারীদের অংশগ্রহণ দিনকে দিন বাড়ছে। বাংলাদেশের নারীরাও পিছিয়ে নেই। বিশ্বায়নের যুগে কোনো দেশকে এগিয়ে যেতে হলে, কোনো জাতিকে উন্নত করতে হলে নারীদরে ক্ষমতায়নের যেমন বিকল্প নেই, তেমনি তথ্যপ্রযুক্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে নারীর ব্যাপক অংশগ্রহণেরও কোনো বিকল্প নেই। আধুনিক যুগে তথ্যপ্রযুক্তি হচ্ছে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি খাত। সমগ্র বিশ্বের মতো বাংলাদেশ সরকারও ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে নারীদের সম্পৃক্ত বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।

নারী বা পুরুষ যেই হোক না কেন পড়াশুনা, চাকুরি কিংবা উদ্যোক্তা হওয়া, যাই বলি না কেন, সকল ক্ষেত্রেই তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার খুবই প্রয়োজন। তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহার সব জায়গায়ই সমান ভাবেই প্রয়োজন। ডিজিটালের এ যুগে তথ্য-প্রযুক্তি জ্ঞান এবং এর ব্যবহার ছাড়া চলা কঠিন হয়ে যাবে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে হয়তো চলাই যাবে না। যে দেশে অর্ধেক নারী, সে দেশে নারীদের তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে অংশগ্রহণ ছাড়া দেশে উন্নত আয়ের দেশের কাতারে যেতে পারাটা প্রায় অসম্ভব। 
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ১ জুলাই ২০২১ তারিখে ’’প্যারিসে জেনারেশন ইক্যুইটি ফোরাম’’ এ পাঠানো ভিডিওবার্তায় বলেন, ‘টেক স্টার্টআপ ও ই-কমার্সসহ তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ২০২৬-এর মধ্যে ২৫ ভাগ এবং ২০৪১-এর মধ্যে ৫০ ভাগ নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধির অঙ্গীকার করেছেন। তিনি আরো বলেন, ’সরকার আইটিখাতে নারী পেশাদার ও উদ্যোক্তা গড়ে তুলতে নানা কর্মসূচি চালু করেছে, নারীর প্রতি সহিংসতা রুখতে আমরা অনেকগুলো ডিজিটাল অ্যাপ ব্যবহার করছি। সাইবার প্ল্যাটফর্মে নিরপত্তা বাড়াতে গত তিন বছরে ৭১ হাজারেরও বেশি নারী, শিশু ও কিশোরীকে সাইবার সচেতনতা প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। সরকার অবশ্য তথ্যপ্রযুক্তি খাতে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যাক প্রকল্প হাতে নিয়েছে। দেশের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নারীদের স্বনির্ভর করে গড়ে তুলতে সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ 'প্রযুক্তির সহায়তায় নারীর ক্ষমতায়ন' শীর্ষক প্রকল্প হাতে নিয়েছে। পূরবে এর নাম ছিলো ‘শি-পাওয়ার’। এছাড়াও ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) কর্তৃক "লিভারেজিং আইসিটি ফর এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড গ্রোথ অফ আইটি-আইটিইএস ইন্ডাস্ট্রি (এলআইসিটি)" প্রকল্পে লক্ষ্য হলো আইটি-আইটিইএস ইন্ডাস্ট্রির কর্মসংস্থান ও প্রবৃদ্ধি সৃষ্টি করা। 

জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি-২০১১-তে নারী ও তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ে নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন, আমদানী ও প্রয়োগের ক্ষেত্রে জেন্ডার প্রেক্ষিত প্রতিফল; উদ্ভাবিত প্রযুক্তির প্রয়োগের ফলে নারীর স্বার্থ বিঘ্নিত হলে গবেষণা মাধ্যমে ঐ প্রযুক্তিকে নারীর প্রতি ক্ষতিকারক উপাদান বলে গ্রহন করার উদ্যোগ নেয়ার কথা বলা হয়েছে। প্রযুক্তিক্ষেত্রে নারীর স্বারথের অনুকূলে লক্ষ্যসমূহ অর্জনের জন্যে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন ও সংস্কার করার। বিষয়েও নারী উন্নয়ন নীতি-২০১১ তে উল্লেখ রয়েছে।
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন লক্ষ্যে ২০৩০ সাল নাগাদ নারী-পুরুষের সমান অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।এ লক্ষ্য অর্জনে সরকার গ্রাম-শহরকে সমান গুরুত্ব দিয়ে ডিজিটালাইজেশনের উদ্যোগ নিয়েছে। নারীর ক্ষমতায়নে অন্যান্য বিষয়ের মতো তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির জ্ঞান ও ব্যবহারের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করে সমতা আনতে কাজ করছে সরকার। নারীর ব্যবহার উপযোগী প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে নেয়া হচ্ছে বিভিন্ন উদ্যোগ হবে। জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা  (এসডিজি) ৫ নম্বর লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে 'নারী ও কন্যাশিশুর সমতা অর্জন ও নারীর ক্ষমতায়ন' এর বিষয়টি। এ লক্ষ্যমাত্রার ৫.৮ লক্ষ্যে বলা হয়েছে- নারীর ক্ষমতায়ন ত্বরান্বিত করার জন্য নারীবান্ধব প্রযুক্তি, বিশেষ করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি।

শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্পায়নসহ সকল ক্ষেত্রেই তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার হার ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশে সুষম উন্নয়নের জন্য তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে অর্ধেক নারীকে যুক্ত করার কোনো বিকল্প নেই। বর্তমানে দেশে বিদ্যালয় পর্যায় থেকে তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আমাদের দেশে মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেকই নারী। অন্যান্য খাতের মতো তথ্যপ্রযুক্তিতেও নারীদেরকে সম্পৃক্ততা দিন দিন বাড়ছে। নারীর ক্ষমতায়নে তথ্যপ্রযুক্তির গুরুত্ব অপরিসীম।
গত দুই দশকে জেন্ডার সমতা ও নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের সাফল্য ঈষর্ণীয়। টেকসই উন্নয়ন অভীস্ট লক্ষ্যমাত্র-৫ অনুযায়ী নারী অধিকার ও নারীপুরুষের মধ্যকার বৈষম্য হ্রাস ও নিরসনে এবং নারীশিক্ষা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বাংলাদেশের ইতিবাচক অগ্রগতি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশংসিত হয়েছে ব্যাপক হারে। নারীপুরুষ সমতা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে শীর্ষ বাংলাদেশ। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম প্রকাশিত বৈশ্বিক লিঙ্গ বিভাজন সূচক ২০২০ (গ্লোবাল জেন্ডার গ্যাপ ইনডেক্স) অনুযায়ী ১৫৩টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৫০তম এবং দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষ।

তথ্যপ্রযুক্তিতে নারীর ছোট্ট ইতিবাচক চিত্র মূলত বাংলাদেশের সকল নারীদের তথ্যপ্রযুক্তিতে এগিয়ে চলার গল্প, যে অগ্রগতির পিছনে সরকারের নিরন্তর প্রচেষ্টার গল্পও লুকানো। বিশ্বায়নের এ যুগে দেশকে এগিয়ে যেতে হলে অন্যান্য খাতের পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তি খাতে উন্নতি করতে হবে। এ খাতে উন্নতি না করলে নারীরা ক্ষমতায়নের দিক থেকে পিছিয়ে পড়বে। করোনা মহামারির সময়ে আমরা দেখেছি যে প্রযুক্তির গুরুত্ব কতটা অপরিসীম ও অনির্বায। একই সঙ্গে নিরাপদ ইন্টারনেট নিশ্চিত করা—নারী-পুরুষ সবার জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিরাপদ অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের মাধ্যমে আমরা তথ্যপ্রযুক্তির দুনিয়ায় নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারি। 
লেখক: সিনিয়র তথ্য অফিসার, পিআইডি





ডেল্টা টাইমস্/মো:জাহাঙ্গীর আলম/সিআর/আরকে

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
  এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: জাহাঙ্গীর আলম, নির্বাহী সম্পাদক: মো: আমিনুর রহমান
প্রধান কার্যালয়: মহাখালী ডিওএইচএস, রোড নং-৩১, বাড়ী নং- ৪৫৫, প্রকাশক কর্তৃক বিসমিল্লাহ প্রিন্টিং প্রেস থেকে মুদ্রিত
২১৯ ফকিরাপুল (১ম লেন নীচ তলা), মতিঝিল থেকে প্রকাশিত।  বাণিজ্যিক কার্যালয়: ৩৭/২ জামান টাওয়ার (১৫ তলা), পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।

ফোন: ০২-৪৭১২০৮৬১, ০২-৪৭১২০৮৬২, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: জাহাঙ্গীর আলম, নির্বাহী সম্পাদক: মো: আমিনুর রহমান
প্রধান কার্যালয়: মহাখালী ডিওএইচএস, রোড নং-৩১, বাড়ী নং- ৪৫৫, প্রকাশক কর্তৃক বিসমিল্লাহ প্রিন্টিং প্রেস থেকে মুদ্রিত
২১৯ ফকিরাপুল (১ম লেন নীচ তলা), মতিঝিল থেকে প্রকাশিত।  বাণিজ্যিক কার্যালয়: ৩৭/২ জামান টাওয়ার (১৫ তলা), পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।
ফোন: ০২-৪৭১২০৮৬১, ০২-৪৭১২০৮৬২, ই-মেইল : [email protected], [email protected]