বৃহস্পতিবার ২০ জানুয়ারি ২০২২ ৫ মাঘ ১৪২৮

নতুন আতঙ্কের নাম ওমিক্রন ভেরিয়েন্ট
মো: আরাফাত রহমান
প্রকাশ: বুধবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২১, ৭:১৮ পিএম আপডেট: ০১.১২.২০২১ ৭:৩৭ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

বিশ্ব করোনাভাইরাসের নতুন আবিষ্কৃত একটি রূপের মুখোমুখি হয়েছে যা ওমিক্রন ভেরিয়েন্ট নামে পরিচিত। ২৪ নভেম্বর প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে নতুন এ ভেরিয়েন্ট সম্পর্কে রিপোর্ট করা হয়। ২৬ নভেম্বর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এটিকে উদ্বেগেজনক একটি ভেরিয়েন্ট হিসাবে অভিহিত করে এবং গ্রীক বর্ণমালার পঞ্চদশ অক্ষর ওমিক্রন এর নামে নামকরণ করে। ভেরিয়েন্টটিতে অস্বাভাবিকভাবে প্রচুর পরিমাণে মিউটেশন রয়েছে, যার মধ্যে বেশ কয়েকটি অভিনব এবং এর মধ্যে বেশ কয়েকটি আবার স্পাইক প্রোটিনকে প্রভাবিত করতে পারে যেগুলো বেশিরভাগ ভ্যাকসিন আবিষ্কারের সময় টার্গেট হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

ভেরিয়েন্টটির বৈচিত্র্য, সংক্রমণযোগ্যতা, ইমিউন সিস্টেম ফাঁকি দেয়া এবং ভ্যাকসিন প্রতিরোধের মত বিষয়সমূহ এটিকে উদ্বেগের দিকে পরিচালিত করেছে। ফলস্বরূপ, ভেরিয়েন্টটিকে দ্রুতই উদ্বেগের বিষয় হিসাবে মনোনীত করা হয়েছে এবং এর আন্তর্জাতিক বিস্তারকে সীমিত বা ধীর করার জন্য বেশ কয়েকটি দেশ ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা চালু করেছে। সার্স-কোভ-২ ভাইরাস বিবর্তনের বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রযুক্তিগত উপদেষ্টা গ্রুপ লিনিয়েজ বি.১.১.৫২৯-কে উদ্বেগের একটি রূপ হিসাবে ঘোষণা করেছে এবং এটিকে গ্রীক অক্ষর ওমিক্রন দিয়ে চিহ্নিত করেছে।

বি.১.১.৫২৯ লিনিয়েজে আক্রান্তের সংখ্যা সমগ্র দক্ষিণ আফ্রিকায় বিশেষ করে দক্ষিণ আফ্রিকার গৌতেং প্রদেশে বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিছুক্ষেত্রে প্রমাণ পাওয়া গেছে যে এই ভেরিয়েন্টটি পুনরায় সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়। সংক্রমণযোগ্যতা, মৃত্যুহার এবং অন্যান্য বিষয়ের উপর এর প্রভাব মূল্যায়ন করার জন্য গবেষণা চলছে। এই ভেরিয়েন্ট এবং এর উপর ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা সম্পর্কিত বিষয়সমূহ এখনও গবেষণাধীন। ডেল্টা ভেরিয়েন্টের তুলনায় ওমিক্রন এর সংক্রমণযোগ্যতা সম্পর্কে এখনও বিশাল অনিশ্চয়তা রয়েছে, তবে সম্ভাব্য ১০০ ভাগ থেকে ৫০০ ভাগ বৃদ্ধিসহ সংক্রমণযোগ্যতার হিসাবে তা ছয় গুণ। ভেরিয়েন্টটি যখন শনাক্ত করা হয় তখন দক্ষিণ আফ্রিকায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ কম কিন্তু ক্রমবর্ধমান ছিল, এবং এটি অজানা যে ভেরিয়েন্টটি ডেল্টার চেয়ে বেশি সংক্রমণযোগ্য কিনা।

ওমিক্রনের প্রথম নমুনাটি বতসোয়ানা থেকে ৯ নভেম্বর সংগ্রহ করা হয়। এটি দক্ষিণ আফ্রিকাতেও সনাক্ত করা হয়। একটি নিশ্চিত নমুনা ইসরায়েলে মালাউই থেকে ফিরে আসা একজন ভ্রমণকারীর মধ্যে শনাক্ত হয়। বতসেয়োনা থেকে রিপোর্ট করা প্রাথমিক চারটি ঘটনাই সম্পূর্ণ টিকাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ঘটেছে। ইসরায়েল থেকে রিপোর্ট করা তিনটি প্রাথমিক নিশ্চিত এবং সন্দেহজনক কেসই সম্পূর্ণভাবে টিকাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ঘটেছে, যেমনটি জার্মানিতে একজন সন্দেহভাজনের ক্ষেত্রে ঘটেছে। যুক্তরাজ্যে দুটি, জার্মানির মিউনিখে দুটি এবং ইতালির মিলানে একটি নমুনা শনাক্ত করা হয়েছে। ডাচ স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় রিপোর্ট করেছে যে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে আমস্টারডাম বিমানবন্দরে অবতরণকারী দুটি ফ্লাইটের প্রায় ৬০০ জন যাত্রীর মধ্যে ৬১ জনের মধ্যে কোভিড -১৯ সনাক্ত করা হয়েছে যার মধ্যে ১৩ জনের মধ্যে পরে ওমিক্রন ভেরিয়েন্ট হিসেবে নিশ্চিত করা হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে দুটি নমুনা ধরা পড়ে। উভয় ব্যক্তি আগের দিন সিডনিতে অবতরণ করেছিল এবং তারা আফ্রিকার দক্ষিণাংশ থেকে দোহা, কাতার হয়ে সিডনিতে যাত্রা করে। সম্পূর্ণরূপে টিকাপ্রাপ্ত এই দুই ব্যক্তিকে তৎক্ষণাৎ আইসোলেট করা হয়। আফ্রিকার দক্ষিণাংশ থেকে আসা আরও ১২ জন ভ্রমণকারীকেও চৌদ্দ দিনের জন্য কোয়ারেন্টিনে রাখা হয় এবং ফ্লাইটের প্রায় ২৬০ জন যাত্রী এবং ক্রুকে আইসোলেট করার নির্দেশ দেওয়া হয়। দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে আসা দুজন যাত্রী ডেনমার্কে অবতরণ করে যাদের কোভিড-১৯ ধরা পড়ে এবং পরে নিশ্চিত হওয়া যায় ওই দুজন ভ্রমণকারী ওমিক্রন ভেরিয়েন্ট বহন করছিল। অস্ট্রিয়াও তাদের প্রথম ওমিক্রন কেস নিশ্চিত করেছে। আফ্রিকান দেশ নামিবিয়াতে সময় কাটিয়েছেন এমন একজন ভ্রমণকারীর শরীরে থেকে চেক প্রজাতন্ত্রে একটি সনাক্ত করা ওমিক্রন কেস রিপোর্ট করা হয়। নাইজেরিয়া থেকে আসা যাত্রীদের কাছ থেকে কানাডাও তার প্রথম ওমিক্রন কেস রিপোর্ট করেছে।

২৯ নভেম্বর অস্ট্রেলিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় অঞ্চলের ডারউইনে একটি করোনার নমুনা রেকর্ড করা হয়। লোকটি দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গ থেকে প্রত্যাবর্তন ফ্লাইটে ডারউইনে পৌঁছে এবং তাকে কোয়ারেন্টিনে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে ওমিক্রন কেস রেকর্ড করা হয়। একই ফ্লাইটে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে আসা যাত্রীদের মধ্যে আরও দুটি ওমিক্রন কেস পাওয়া যায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা দেশগুলিকে ভ্রমণের উপর নতুন বিধিনিষেধ আরোপ না করার পরামর্শ দিয়েছে এবং এর পরিবর্তে ভ্রমণ ব্যবস্থায় ঝুঁকি-ভিত্তিক এবং বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির সুপারিশ করেছে। ইউরোপীয় সেন্টার ফর ডিজিজ প্রিভেনশন অ্যান্ড কন্ট্রোল রিপোর্ট করেছে যে কঠোর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা ইউরোপীয় দেশগুলিতে ভেরিয়েন্টটির প্রভাবকে দুই সপ্তাহ বিলম্বিত করবে এবং দেশগুলোকে এটির জন্য প্রস্তুত হতে দেবে।

ভেরিয়েন্টটিতে প্রচুর পরিমাণে মিউটেশন রয়েছে, যার মধ্যে কয়েকটি সম্পর্কিত। বত্রিশটি মিউটেশন স্পাইক প্রোটিনকে প্রভাবিত করে, যা সংক্রমণের দ্বারা উৎপন্ন অ্যান্টিবডিগুলির এবং ব্যাপকভাবে পরিচালিত অনেক টিকার প্রধান অ্যান্টিজেনিক টার্গেট হিসেবে কাজ করে। এই মিউটেশনগুলির অনেকগুলো অন্যান্য স্ট্রেনে পরিলক্ষিত হয়নি। ভেরিয়েন্টটিকে মূল ভাইরাসের তুলনায় ৩০টি অ্যামিনো অ্যাসিড পরিবর্তন, তিনটি ছোট ডিলিশন এবং স্পাইক প্রোটিনে একটি ছোট ইনসার্শন দ্বারা চিহ্নিত করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৫টি রিসেপ্টর বাইন্ডিং ডোমেইনে অবস্থিত। এটি অন্যান্য জিনোমিক অঞ্চলে অনেকগুলো পরিবর্তন এবং ডিলিশনও বহন করে। ফিউরিন ক্লিভেজ সাইটে ভেরিয়েন্টটির তিনটি মিউটেশন রয়েছে। ফিউরিন ক্লিভেজ সাইট সার্স-কোভ-২ এর সংক্রমণ বাড়ায়।

কোন অস্বাভাবিক উপসর্গ এখনও ওমিক্রন ভেরিয়েন্টে দেখা যয়িনি এবং অন্যান্য ভেরিয়েন্টের মতো এক্ষেত্রেও কিছু ব্যক্তি উপসর্গবিহীন থাকে। দক্ষিণ আফ্রিকান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ার ডাঃ অ্যাঞ্জেলিক কোয়েটজি প্রথম রোগীদের মধ্যে এই ভেরিয়েন্টেটি সনাক্ত করতে সক্ষম হন যাদের ক্লান্তি, এবং ব্যথা ছিল, কিন্তু কাশি, গন্ধ বা স্বাদের অনুভূতিতে কোনো পরিবর্তন হয়নি। দক্ষিণ আফ্রিকায় একটি তরুণ জনগোষ্ঠী রয়েছে এবং এটি উৎসাহব্যাঞ্জক যে সেখানকার ডাক্তাররা রিপোর্ট করছেন যে ওমিক্রন হাসপাতালে ভর্তির কোনো বৃদ্ধি ছাড়াই হালকা উপসর্গ সৃষ্টি করছে। তবে এটি দেখার দরকার যে ভেরিয়েন্টেটি বয়স্ক মানুষদের শরীরে কি প্রভাব ফেলে, যারা কোভিডের জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ।

অন্যান্য ভেরিয়েন্টের মতোই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মানুষকে আবদ্ধ স্থানগুলিতে ভালভাবে বায়ুচলাচলের ব্যবস্থা রাখতে, ভিড় এবং ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ এড়াতে, ভালভাবে ফিটিং মাস্ক পরতে, ঘন ঘন হাত পরিষ্কার করতে এবং টিকা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। বায়োএনটেক-এর মতে, বর্তমান ভ্যাকসিনটি ওমিক্রন ভেরিয়েন্টের বিরুদ্ধে কার্যকর কিনা তা দুই সপ্তাহের মধ্যেই জানা যাবে এবং প্রয়োজনে ১০০ দিনের মধ্যে একটি আপডেট করা ভ্যাকসিন পাঠানো যেতে পারে। এস্ট্রাজেনেকা, মর্ডানা এবং জনসন এন্ড জনসনও ওমিক্রন ভেরিয়েন্টের উপর তাদের ভ্যাকসিনের কার্যকারিতার প্রভাব গবেষণা করছে।

বর্তমান পিসিআর পরীক্ষাগুলি ওমিক্রন ভেরিয়েন্ট সনাক্ত করতে পারে। কিছু পরীক্ষাগার ইঙ্গিত দিয়েছে যে একটি বহুল ব্যবহৃত পিসিআর পরীক্ষা তিনটি টার্গেট জিনের মধ্যে একটি সনাক্ত করে না। ঠিক যেমন আলফা ভেরিয়েন্টের সাথে, এই আংশিক সনাক্তকরণটি ভেরিয়েন্টের জন্য একটি মার্কার হিসাবে কাজ করতে পারে। দ্রুত অ্যান্টিজেন পরীক্ষাও প্রভাবিত হয় না। স্পাইক প্রোটিনের অনেক মিউটেশন অন্যান্য ভেরিয়েন্টগুলোতে উপস্থিত রয়েছে এবং এটি বর্ধিত সংক্রামকতা এবং অ্যান্টিবডির সাথে সম্পর্কিত। কম্পিউটেশনাল মডেলিং পরামর্শ দেয় যে ওমিক্রন ভেরিয়েন্টটি কোষ-মধ্যস্থ প্রতিরোধ ক্ষমতা থেকে বাঁচতে পারে।
নিরাময়কারী ভ্যাকসিনের সক্ষমতার সম্ভাব্য প্রতিরোধ ক্ষমতা মূল্যায়ন করার জন্য একটি নিরপেক্ষ মূল্যায়ন জরুরীভাবে একান্ত প্রয়োজন। এখন পর্যন্ত এটি অজানা যে কীভাবে ওমিক্রন ভেরিয়েন্টটি উচ্চ স্তরের অনাক্রম্যতা সহ জনসংখ্যায় ছড়িয়ে পড়বে এবং এটিও অজানা যে ভেরিয়েন্টটি হালকা বা আরও গুরুতর কোভিড সংক্রমণ ঘটায় কিনা। ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানির মতে, প্রয়োজন হলে প্রায় ১০০ দিনের মধ্যে ভ্যাকসিনগুলি পরিবর্তন করা যেতে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা দেশগুলোকে কিছু নির্দেশিকা অনুসরণ করতে বলেছে যেমন: ১. বর্তমানে ছড়িয়ে পড়া সার্স-কোভ-২ ভেরিয়েন্টগুলি আরও ভালভাবে বোঝার জন্য নজরদারি এবং সিকোয়েন্সিং প্রচেষ্টা বাড়ানো, ২. একটি সর্বজনীনভাবে উপলব্ধ ডাটাবেসে সম্পূর্ণ জিনোম সিকোয়েন্স এবং এ সম্পর্কিত মেটডেটা জমা দেওয়া, ৩. এর সাথে সম্পর্কিত ভাইরাস-অফ-কনসার্ন সংক্রমণের বিষয়ে আইএইচআার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা-তে প্রাথমিক কেস/ক্লাস্টার রিপোর্ট করা, এবং ৪. যেখানে সক্ষমতা বিদ্যমান সেখানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাথে সমন্বয় করে কোভিড-১৯ মহামারীর উদ্বেগজনক ভাইরাসের সম্ভাব্য প্রভাবগুলো বোঝার জন্য মাঠ পর্যায়ে গবেষণা এবং পরীক্ষাগার মূল্যায়ন করা, জনস্বাস্থ্য এবং সামাজিক ব্যবস্থার কার্যকারিতা, ডায়াগনস্টিক পদ্ধতি, ইমিউনিটি প্রতিক্রিয়া, অ্যান্টিবডি নিরপেক্ষকরণ বা অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে গবেষণা করা।

লেখক: কলামস্টি, সহকারি কর্মকর্তা, ক্যারিয়ার এন্ড প্রফেশনাল
 ডেভেলপমেন্ট সার্ভিসেস বিভাগ, সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়।




ডেল্টা টাইমস্/মো: আরাফাত রহমান/সিআর/আরকে

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
  এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: জাহাঙ্গীর আলম, নির্বাহী সম্পাদক: মো: আমিনুর রহমান
প্রধান কার্যালয়: মহাখালী ডিওএইচএস, রোড নং-৩১, বাড়ী নং- ৪৫৫, প্রকাশক কর্তৃক বিসমিল্লাহ প্রিন্টিং প্রেস থেকে মুদ্রিত
২১৯ ফকিরাপুল (১ম লেন নীচ তলা), মতিঝিল থেকে প্রকাশিত।  বাণিজ্যিক কার্যালয়: ৩৭/২ জামান টাওয়ার (১৫ তলা), পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।

ফোন: ০২-৪৭১২০৮৬১, ০২-৪৭১২০৮৬২, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: জাহাঙ্গীর আলম, নির্বাহী সম্পাদক: মো: আমিনুর রহমান
প্রধান কার্যালয়: মহাখালী ডিওএইচএস, রোড নং-৩১, বাড়ী নং- ৪৫৫, প্রকাশক কর্তৃক বিসমিল্লাহ প্রিন্টিং প্রেস থেকে মুদ্রিত
২১৯ ফকিরাপুল (১ম লেন নীচ তলা), মতিঝিল থেকে প্রকাশিত।  বাণিজ্যিক কার্যালয়: ৩৭/২ জামান টাওয়ার (১৫ তলা), পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।
ফোন: ০২-৪৭১২০৮৬১, ০২-৪৭১২০৮৬২, ই-মেইল : [email protected], [email protected]