|
বিআরটিসির সেবার মান নির্ভরযোগ্য
ডেল্টা টাইমস ডেস্ক:
|
![]() বিআরটিসির সেবার মান নির্ভরযোগ্য শনিবার (১৭ মে) বিআরটিসি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট, তেজগাঁও মাল্টিপারপাস হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল কর্মপরিকল্পনা ২০২৪-২৫ এর আওতায় সেবার মান উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ বিষয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক এবং বিআরটিসি কর্তৃক এই গণশুনানির আয়োজন করা হয়। বিআরটিসি’র মহিলা বাস সার্ভিসের সেবা আরও সম্প্রসারণ করা যায় কিনা? এমন প্রশ্ন করেন এক চাকরিজীবী নারী। তেজগাঁও সরকারি কলেজের শিক্ষক আজম কামালউদ্দীন, বিআরটিসি বাসে শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া নেওয়ার প্রশংসা করেন। সেইসাথে বেসরকারি পরিবহনেও তা কার্যকর করার দাবি তুলে বিআরটিসি বাসে সেবা নিতে গিয়ে যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করার বিষয়ে প্রশ্ন করেন। প্রশ্নের উত্তরে বিআরটিসি চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) ড. অনুপম সাহা বলেন, চাহিদা থাকলে মহিলা বাস সার্ভিসের সেবা আমরা আরও সম্প্রসারণ করবো। সেইসাথে যাত্রীপরিবহণ সেবায় সময় ক্ষেপনের বিষয়ে বলেন, আমাদের যাত্রীসেবাও দিতে হয় আবার রাজস্বও আয় করতে হয়। সময় ক্ষেপন না করে যাত্রীসেবার মানোন্নয়নে বিআরটিসি›র প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সিনিয়র সচিব জনাব মো. এহছানুল হকের সভাপতিত্বে হওয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- বিআরটিসি’র চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) ড. অনুপম সাহা, বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির চেয়ারম্যান মো. ইয়াসীন, ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক নীলিমা আখতার, ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারুক আহমেদ, হাইওয়ে পুলিশের অ্যাডিশনাল ডিআইজি (অ্যাডমিন) মো. শামসুল আলমসহ সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং বিআরটিসি’র অংশীজনরা। জানা যায়, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি) ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বিগত কয়েক দশক যাবৎ প্রতিষ্ঠানটি একটি লোকসানী প্রতিষ্ঠান হিসেবে সকলের নিকট পরিচিত ছিল। আয় বৃদ্ধি, ব্যয় সংকোচন ও যাত্রী সেবার মান উন্নয়নের কঠোর নীতি অবলম্বন করে বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। বিআরটিসির বাৎসরিক আয়-ব্যয় যেখানে ২০১৭-২০১৮ অর্থবছর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ছিলো লোকসানে। সেখানে ২০২০-২০২১ অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটি লাভের মুখ দেখে। এ ধারা অব্যাহত রেখে ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে লাভ করে ৪৭ কোটি ৭১ লাখ টাকা। ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে লাভ করে ২৫ কোটি ৪ লাখ টাকা। এই হিসেবে বিআরটিসি একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিণত হয়। ইতোমধ্যেই বেতন-ভাতা নিয়মিত পরিশোধ করে উন্নয়নমূলক কাজ ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সুযোগ-সুবিধাদি নিশ্চিত করা হয়েছে। চালক, কারিগরসহ কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। বিমানবন্দরে প্রবাসী বাংলাদেশি ও রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের যাতায়াতের সুবিধার্থে বিমানবন্দর শাটল বাস সার্ভিস চালু করা হয়েছে। পর্যটন শিল্পের বিকাশে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে পর্যটক বাস সার্ভিস চালু করা হয়। এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে যাত্রীদের যাতায়াত সুবির্ধার্থে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে বাস সার্ভিস চালু করা হয়। মেট্রোরেল কানেক্টিভিটি সার্ভিসসহ সেবার যাত্রীসেবার পরিধি আরো বিস্তৃত করা হয়। দীর্ঘকাল লোকসানে থাকলেও কয়েক বছর ধরে পরিবর্তন এসেছে সংস্থাটির কার্যক্রমে। এখন আরো বাস-ট্রাক বাড়াতে পারলে যাত্রী ও পণ্যপরিবহনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসতে পারে সংস্থাটিতে। ডেল্টা টাইমস/সিআর/এমই |
| « পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ » |