|
অষ্টম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নের দাবি নিউ নেশন সংবাদকর্মীদের
নিজস্ব প্রতিবেদক:
|
![]() অষ্টম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নের দাবি নিউ নেশন সংবাদকর্মীদের সভায় সভাপতিত্ব করেন নিউ নেশন ইউনিট চিফ মো. মোশারেফ হোসেন সিকদার এবং সঞ্চালনা করেন ডেপুটি ইউনিট চিফ মো. শিমুল হাসান। এতে উপস্থিত ছিলেন ডিইউজের কোষাধ্যক্ষ খন্দকার আলমগীর হোসাইন, নির্বাহী কমিটির সদস্য গাজী আনোয়ার, আবদুল্লাহ মজুমদারসহ নিউ নেশন ইউনিটের সদস্যরা। সভায় সিটি এডিটর আবুল কালাম বলেন, “এখন আর সেই বাংলাদেশ নেই যেখানে সাংবাদিকদের অধিকার নিয়ে টালবাহানা করা যায়। ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন ছাড়া কোনো পত্রিকা সরকারের সুবিধা পাওয়ার অধিকার রাখে না। নিউ নেশনে কর্মরত সাংবাদিক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ওয়েজবোর্ড সুবিধা না পেলে অবশ্যই এই পত্রিকার রেট কার্ড বাতিল হবে।” ডিইউজের কোষাধ্যক্ষ খন্দকার আলমগীর হোসাইন বলেন, “সাংবাদিকদের আন্দোলন হলে মালিকপক্ষ সবসময় দালাল শ্রেণি তৈরি করে। তাদের প্রচারণায় বোঝানো হয় দালাল ছাড়া কেউ কাজ করে না। এই প্রবণতা রুখে দিয়ে দাবি আদায় করতে হবে। নিউ নেশনে ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ডিইউজে শতভাগ প্রস্তুত এবং বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত পাশে থাকবে।” তিনি আরও জানান, ওয়েজবোর্ড আন্দোলন নস্যাৎ করতে কর্তৃপক্ষ নিউ নেশন ইউনিট চিফ মো. মোশারেফ হোসেন সিকদারকে (নোমান মোশারেফ) চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর (ডিএফপি) থেকে একটি অনাপত্তিপত্র আনার নির্দেশ দিয়েছে। অন্যথায় চাকরিচ্যুতি ও সুবিধা বাতিলের হুমকি দেয়া হয়েছে, যা তিনি নিন্দনীয় বলে উল্লেখ করেন। গাজী আনোয়ার বলেন, “ব্যক্তিগত স্বার্থ নয়, সামগ্রিক স্বার্থে ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ফ্যাসিস্ট শাসনামলে নিউ নেশন বৈষম্যের শিকার হয়েছিল। তবে জুলাই বিপ্লবের পর ডিইউজের সহযোগিতায় রেট কার্ড উন্নতি ও বিজ্ঞাপন বৃদ্ধি পেয়েছে। অথচ এখনও ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন হচ্ছে না। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।” নিউ নেশন ইউনিট চিফ মো. মোশারেফ হোসেন সিকদার বলেন, “ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন সাপেক্ষেই নিউ নেশনের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে। মালিকপক্ষের প্রতি অনুরোধ, সবার স্বার্থে দাবি মেনে নিন।” সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ফিচার এডিটর শেখ আরিফ বুলবন, স্পোর্টস ইনচার্জ কামাল হোসেন বাবলু, কম্পিউটার ইনচার্জ শাহ আলম, সিনিয়র স্পোর্টস রিপোর্টার মো. সাব্বির হাসান, চিফ রিপোর্টার রেজা মাহমুদ, সিনিয়র রিপোর্টার আল মামুন, হারুন উর রশিদ, মো. আবু জাকির, স্টাফ রিপোর্টার মুহিদ হাসান, সিনিয়র সাব এডিটর মুহাম্মদ খালেদ আসগর, সাব এডিটর মো. তানভীর আহম্মেদ, তাসনুভা আক্তার রিপা, খন্দকার ওবায়েদ, ইশরাত জাহান মারিয়া, প্রুফ রিডার মো. আমিনুল হাসিব চৌধুরী, চিফ ফটো জার্নালিস্ট মঈন উদ্দিন আহমেদ, ফটো জার্নালিস্ট সালাহউদ্দিন আহমেদ শামীম, কম্পিউটার অপারেটর মো. আব্দুর রউফ, মো. আতাউর রহমান, হারাধন আচার্য রিমন, মো. রমজান আলী, শ্যামল চন্দ্র বিশ্বাস প্রমুখ। ডেল্টা টাইমস্/আইইউ |
| « পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ » |