পুরোনো ব্যথার নতুন যন্ত্রণায় চীন-জাপান
রায়হান আহমেদ তপাদার:
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:৩৬ এএম

পুরোনো ব্যথার নতুন যন্ত্রণায় চীন-জাপান

পুরোনো ব্যথার নতুন যন্ত্রণায় চীন-জাপান

জাপানের সঙ্গে চীনের বিরোধ ঐতিহাসিক। অতীতে দু-দফা মুখোমুখি যুদ্ধে জড়িয়েছিল দুদেশ। দুবারই জয়ী জাপান। প্রথম দফায় তাইওয়ান দখল করে জাপান। দ্বিতীয় দফায় হারাতে হয়েছে পূর্ব ও দক্ষিণ চীনের বড় অংশ। পরে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পরাজয়ের মাধ্যমে থামে জাপানের সাম্রাজ্য ও এশিয়ায় একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তারের স্বপ্ন। হারানো ভূমি ফেরত পায় চীন। তবে তাইওয়ান নিয়ে বিরোধ রয়ে যায়। পুরোনো সেই বিরোধ ফের নতুন করে জেগে উঠতে শুরু করেছে। তাইওয়ানকে নিয়ে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির এক মন্তব্য ঘিরে এখন চরমে চীন-জাপান উত্তেজনা। প্রশ্ন উঠেছে- এবার কী তবে জাপানে আক্রমণ চালিয়ে পুরোনো ব্যথা ভুলবে চীন? নতুন করে উত্তেজনার আঁচ তাইওয়ান প্রণালীতে। সম্ভাব্য চিনা হানাদারি ঠেকাতে এ বার তাইওয়ানের উপকূল থেকে ১১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ইয়োনাগুনি দ্বীপে মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র এবং যুদ্ধবিমান মোতায়েনের প্রস্তুতি শুরু করেছে জাপান। ব্লুমবার্গ প্রকাশিত রিপোর্টে এই দাবি করা হয়েছে। জাপানের এই তৎপরতার জবাবে সরাসরি হুমকি দিয়েছে বেজিং। একদলীয় চিনের শাসকদল কমিউনিস্ট পার্টি নিয়ন্ত্রিত সংবাদমাধ্যম পিএলএ ডেইলি বলেছে, ‘টোকিয়ো যদি তাইওয়ানে হস্তক্ষেপ করে, তাহলে পুরো জাপান যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হবে।’ চিন-জাপানের বর্তমান সংঘাতের সূচনা গত ৭ নভেম্বর। জাপানি প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি সে দিন জানিয়েছিলেন, চিন যদি তাইওয়ান দখল করতে উদ্যোগী হয় তবে তাঁরা চুপ করে বসে থাকবেন না। চিন-তাইওয়ান সঙ্কটের আবহে সে সময় আমেরিকার সপ্তম নৌবহরের অন্তর্ভুক্ত কয়েকটি যুদ্ধজাহাজ তাইওয়ান প্রণালীতে ঢুকেছিল। সে সময় পূর্ব চিন সাগর থেকে কয়েকটি জাপানি যুদ্ধজাহাজও তাইওয়ান প্রণালীতে প্রবেশ করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে প্রথম বার তাইওয়ান প্রণালীতে জাপানি যুদ্ধজাহাজের অনুপ্রবেশ ঘিরে দু’দেশের সংঘাতের শুরু হয়। সে সময় তাইওয়ান সংলগ্ন জাপানি দ্বীপের সেনকাকুর নাম হঠাৎ করেই বদলে দিয়াওয়ু করে দেয় চিন।

শুধু তা-ই নয়, বেশ কয়েক বার এর জলসীমায় রণতরী পাঠিয়েছে ড্রাগনের লালফৌজ। এই নিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে টোকিও বার বার অভিযোগ জানালেও, তাতে পাত্তা দেয়নি বেজিং। উল্টে অন্যায় ভাবে সংশ্লিষ্ট দ্বীপটি জাপান দখল করে রেখেছে বলে পাল্টা প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে জিনপিং সরকার।চীন তাইওয়ান আক্রমণ করলে জাপান সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারে, জাপানের পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে দেশটির প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির এমন বক্তব্যের পর তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে চীন।বেইজিং জাপানের প্রধানমন্ত্রীকে তাঁর বক্তব্য প্রত্যাহার করে নেওয়ার দাবি জানিয়েছে। জবাবে জাপান বলেছে, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে তাদের দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক নীতি প্রতিফলিত হয়েছে। জাপানের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী তাকাইচির ওই বক্তব্যের জেরে গত কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক বিরোধে জড়িয়েছে দুই প্রতিবেশী বেইজিং ও টোকিও। তবে টোকিওর কয়েকজন কর্মকর্তা বেশ কয়েক দিন ধরে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলছিলেন, চীনের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করতে ট্রাম্প হয়তো তাইওয়ানের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন দুর্বল করতেও প্রস্তুত হতে পারেন। এমন কিছু বেইজিংকে আরও সাহসী করে তুলতে পারে এবং পূর্ব এশিয়ায় সংঘাতের সূত্রপাত ঘটাতে পারে। জানা গেছে, এরই মধ্যে চীন থেকে জাপানগামী কয়েক লাখ ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। উত্তেজনাকর পরিস্থিতির কারণে চীন বা জাপান কার অর্থনীতিতে কতটা প্রভাব পড়বে, সেটি আপাতত বলা না গেলেও এটি অনুমান করা দুরূহ নয় যে পরিস্থিতির যদি উন্নতি না হয়, তাহলে নিশ্চিতভাবেই উভয় দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বিষয়টি পুরোই নির্ভর করছে এই উত্তেজনা কত দিন চলবে এবং কোন পর্যায়ে গিয়ে দাঁড়াবে তার ওপর। চীনের ঘোষণার পর জাপানের পক্ষ থেকেও চীন সফররত জাপানি নাগরিকদের নিরাপত্তার স্বার্থে জনসমাগমপূর্ণ এলাকা পরিহার করে চলতে বলা হয়েছে। 

চীন ও জাপানের মধ্যে ঐতিহাসিক কিছু সমস্যা বিদ্যমান থাকলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কের ক্ষেত্রে উভয়েই এক ধরনের স্থিতাবস্থাকে সমর্থন জানিয়েছে, যার জেরে উভয়ের পারস্পরিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে এটি উল্লেখযোগ্যভাবে কাজ করে। চীনের অর্থনীতিতে পর্যটনশিল্পের অবদানে সবচেয়ে বড় ভূমিকা জাপানের, দেশটিতে প্রতিবছর প্রচুর সংখ্যায় জাপানি পর্যটক ভ্রমণ করেন। একই সঙ্গে জাপানও এই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে গুরুত্ব দিয়ে দেশটিতে এক লাখ ২০ হাজারের বেশি চীনা শিক্ষার্থীকে উচ্চশিক্ষার সুযোগ করে দিয়েছে, যা যেকোনো দেশের শিক্ষার্থীর চেয়ে বেশি।এর বাইরেও বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক সম্পর্ক এশিয়ার অপরাপর দেশগুলোর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের তুলনায় সন্তোষজনক রয়েছে। বর্তমান এই উত্তেজনা অতীতের কিছু তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়; ১৯৪৯ সালের চীনা বিপ্লবের সময় জাপানের পক্ষ থেকে চীনের সরকারকে সমর্থন দেওয়া হয়নি, বরং তাইওয়ান নিয়ন্ত্রিত চীনকেই তারা সমর্থন করে যেতে থাকে। আরো একটু পেছনে তাকালে আমরা দেখব, ১৮৬৮ সালে জাপানে মিজি পুনরুদ্ধারের পর থেকে জাপান পশ্চিমা প্রভাববলয়ের মাধ্যমে চীনের সঙ্গে নতুন বিরোধে জড়ায়, যার এক পর্যায়ে ১৯৩১ সালে জাপান কর্তৃক মাঞ্চুরিয়া দখল, পরবর্তী সময়ে চীনের বিশাল এলাকা জাপানের নিয়ন্ত্রণে যাওয়া এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-উত্তর সময়ে জাপানের দখল থেকে মুক্ত হওয়া-এই সবকিছু দুই দেশের সম্পর্কে স্বাভাবিক সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। ১৯৭২ সাল থেকে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের নতুন বোঝাপড়ার মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক অনেকটা স্বাভাবিক করা হয়।১৯৭৮ সালে চীনের পুনর্গঠন নীতির ফলে এই সম্পর্কের আরো উন্নতি ঘটে এবং বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে একে অপরের আরো কাছে আসে। এই সময়ের পর থেকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে বড় ধরনের কোনো অস্বস্তি না থাকলেও ২০১০ সালে সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আবার সম্পর্কের কিছুটা অবনতি হলেও দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের স্বার্থে তারা তা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করে। জাপান কর্তৃক ব্যক্তিমালিকানায় থাকা দ্বীপপুঞ্জটি কিনে নিজেদের অংশে পরিণত করার পর থেকে চীন এটিকে নিজের বলে দাবি করে আসছিল।

সম্প্রতি জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির তাইওয়ানবিষয়ক বক্তব্যের পর চীন সেখানে কোস্ট গার্ড পাঠিয়েছে এবং ড্রোন অভিযান পরিচালনা করেছে। দ্বীপটি পূর্ব চীন সাগরে অবস্থিত। এটি তাইওয়ানের উত্তর-পূর্বে, চীনের পূর্বে এবং জাপানের ওকিনাওয়া দ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত। তাইওয়ান থেকে এর দূরত্ব মাত্র ১২০ নটিক্যাল মাইল। চীনের এই অবস্থান নতুন করে উত্তেজনা আরো বাড়িয়ে তুলেছে। এর পেছনে কিছু ঐতিহাসিক ও বাস্তবসম্মত কারণ রয়েছে। জাপান একসময় তাইওয়ান উপনিবেশের অংশ ছিল এবং পরবর্তী সময়ে তাইওয়ানের সংস্কৃতিতে জাপানের বড় ধরনের প্রভাব পরিলক্ষিত হয়। তাইওয়ান প্রশান্ত মহাসাগরের একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অবস্থানে রয়েছে। এ ক্ষেত্রে চীন যদি সেখানে অভিযান পরিচালনা করে সফল হয়, তাহলে সেনকাকু দ্বীপসহ জাপানের নিরাপত্তার জন্য নিশ্চিতভাবেই সংকট সৃষ্টি করবে এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতির সমীকরণেও এটির প্রভাব পড়বে। বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে এবং এশিয়ার অর্থনীতিতে প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে চীন ও জাপান উভয়েই একে অপরের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলছে। তাইওয়ানও প্রযুক্তির দিক দিয়ে বিশ্বে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে এবং জাপানের অর্থনীতিতে এর ভূমিকা অপরিসীম। এ ক্ষেত্রে চীনের আগ্রাসন প্রকারান্তরে জাপানের অর্থনৈতিক স্বার্থকেই বাধাগ্রস্ত করবে। তা ছাড়া তাইওয়ানের বাণিজ্যিক পথগুলোও জাপানের বিশ্ববাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এই বিবেচনায় জাপানের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারা বজায় রেখে চলতে হলে তাইওয়ানকে কোনোভাবেই অস্থিতিশীল হতে এবং চীনের নিয়ন্ত্রণে যেতে দেওয়া যাবে না। এটিই হচ্ছে জাপানের উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার যত কারণ।এখন প্রশ্ন হচ্ছে, হঠাৎ করে কেনই বা জাপানের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এমন বক্তব্য এলো, যা এই নতুন উত্তেজনার জন্ম দিয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে গেলে এটি ধারণা করা যেতেই পারে যে তাইওয়ান ও দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চীনের দীর্ঘ সময় ধরেই উত্তেজনাকর সম্পর্ক রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রও জাপানের মতো ‘এক চীন’ নীতিকে সমর্থন করলেও তাইওয়ানের প্রতি তাদের সমর্থন বরাবরই পক্ষপাতদুষ্ট। সাম্প্রতিক সময়ে আমরা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে বৈঠক করতে দেখেছি, সেই সঙ্গে একই সময়ে দক্ষিণ কোরিয়া ও মালয়েশিয়ায়ও সফর করেছেন তিনি। জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক-পরবর্তী যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প জাপানের প্রতি তাঁর প্রতিশ্রুতির কথা জানান দেন এই বলে যে জাপানের প্রয়োজনে সব ধরনের সমর্থন দেওয়া হবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে। চীনের আচরণে বোঝা যায় যে তারা জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কথার মর্মার্থ অনুধাবন করতে পেরেছে, না হলে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর একটি কথাকে কেন্দ্র করে এমন আক্রমণাত্মক পরিস্থিতি সৃষ্টি করার কোনো প্রয়োজন ছিল না। অতীতের মতো চীন এটিই জানান দেওয়ার চেষ্টা করছে যে তাইওয়ান নিয়ে চীনের চিন্তা-ভাবনার বাইরে কেউ যাওয়ার চেষ্টা করলে তারা যেকোনো সময় যুদ্ধে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। বিশ্বব্যবস্থার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় তাইওয়ানের চীনে ফিরে আসা একটি মূল লক্ষ্য। তবে স্বাধীনভাবে পরিচালিত তাইওয়ান এতদিন ধরে বলে আসছে, তাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার একমাত্র তাইওয়ানিজ জনগণের। হোয়াইট হাউস ট্রাম্পের হয়ে এক বিবৃতিতে জানায়, যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্ক অত্যন্ত শক্তিশালী এবং সেটি জাপানের জন্যও খুব ভালো খবর। ট্রাম্প বলেন,‘আমরা জাপান, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া ও অন্যান্য দেশের সঙ্গে দুর্দান্ত বাণিজ্য চুক্তি করেছি। বিশ্ব শান্তিতে রয়েছে-আসুন আমরা একে এভাবেই চালাই। জাপানের সঙ্গে উত্তেজনা বৃদ্ধির সমালোচনা করে চীনের সরকারি দৈনিক পিপলস ডেইলি যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জানায়, জাপানকে আবার সামরিকতাবাদী পথে হাঁটা থেকে বিরত রাখতে। তাকাইচির মন্তব্যকে কৌশলগত অস্পষ্টতা থেকে সরে আসা বলে মনে করছে চীন। টোকিওর কর্মকর্তারা বলছেন, মন্তব্যটি তিনি প্রত্যাহার করতে পারবেন না, ফলে সংকট দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।

লেখক: গবেষক ও কলামিস্ট, যুক্তরাজ্য।

ডেল্টা টাইমস/রায়হান আহমেদ তপাদার/সিআর/এমই

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
  এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. জাহাঙ্গীর আলম, নির্বাহী সম্পাদক: মো. আমিনুর রহমান
প্রকাশক কর্তৃক ৩৭/২ জামান টাওয়ার (লেভেল ১৪), পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত
এবং বিসমিল্লাহ প্রিন্টিং প্রেস ২১৯ ফকিরাপুল, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত।

ফোন: ০২-২২৬৬৩৯০১৮, ০২-৪৭১২০৮৬০, ০২-৪৭১২০৮৬২, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. জাহাঙ্গীর আলম, নির্বাহী সম্পাদক: মো. আমিনুর রহমান
প্রকাশক কর্তৃক ৩৭/২ জামান টাওয়ার (লেভেল ১৪), পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত
এবং বিসমিল্লাহ প্রিন্টিং প্রেস ২১৯ ফকিরাপুল, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত।
ফোন: ০২-২২৬৬৩৯০১৮, ০২-৪৭১২০৮৬০, ০২-৪৭১২০৮৬২, ই-মেইল : [email protected], [email protected]