ট্রাম্পের আগ্রাসন বৈশ্বিক শৃঙ্খলার ক্ষয়কে আরও ত্বরান্বিত করবে
রায়হান আহমেদ তপাদার:
প্রকাশ: শনিবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৩১ এএম

ট্রাম্পের আগ্রাসন বৈশ্বিক শৃঙ্খলার ক্ষয়কে আরও ত্বরান্বিত করবে

ট্রাম্পের আগ্রাসন বৈশ্বিক শৃঙ্খলার ক্ষয়কে আরও ত্বরান্বিত করবে

ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক হুমকির তীব্র সমালোচনা ও কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে তেহরান। ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব এক বিশেষ বিবৃতিতে এই হুঁশিয়ারি দেন। তিনি বলেন, ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে যেকোনো ধরনের মার্কিন হস্তক্ষেপ পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলকে চরম অস্থিতিশীলতার দিকে ঠেলে দেবে এবং এটি সরাসরি খোদ আমেরিকার স্বার্থকেই মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। ইরানের জ্যেষ্ঠ এই কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে ইসরাইলি কর্মকর্তা এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে অবস্থান নিয়েছেন, তাতে বর্তমান পরিস্থিতির নেপথ্যে থাকা গোপন অভিসন্ধিগুলো স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধ শুরু হলে নিজেকে রক্ষার সক্ষমতা এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর অতিনির্ভরশীলতার কার্যকারিতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইসরায়েলের নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট মহলগুলো। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘দ্য টাইমস অব ইসরায়েল’-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্লেষকেরা ক্রমেই এ বিষয়ে নিশ্চিত হচ্ছেন যে ইরানের সঙ্গে পরবর্তী দফার সংঘাতে ইসরায়েল নিজেকে রক্ষা করার ক্ষেত্রে আগের চেয়ে কম প্রস্তুত থাকতে পারে। এ উদ্বেগের মূল কারণ হলো, ইরানের ক্রমবর্ধমান ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি। এটি গত বছরের জুনে হওয়া ১২ দিনের সংঘাতের আগের তুলনায় এখন অনেক বেশি শক্তিশালী। তেহরান যখন তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ভান্ডার পুনরুদ্ধার ও আধুনিকায়নের কাজ পুরোদমে চালিয়ে যাচ্ছে; তখন ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্র এখনো প্রতিরোধক ক্ষেপণাস্ত্রের তীব্র সংকট ও দীর্ঘ উৎপাদন প্রক্রিয়ার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ পরিস্থিতি পরবর্তী দফার ক্ষেপণাস্ত্র যুদ্ধের ধরন মৌলিকভাবে বদলে দিতে পারে।প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, দুই পক্ষের মধ্যে সাম্প্রতিক সামরিক সংঘাতের মাত্রা থেকে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হুমকির প্রকৃত ভয়াবহতা পুরোপুরি ফুটে ওঠেনি। 

তবে এটি ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবিলায় বর্তমানে ইসরায়েলের মোতায়েন করা প্রতিরক্ষাব্যবস্থার সীমাবদ্ধতাগুলো স্পষ্ট করে দিয়েছে। ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর একটি অনুষ্ঠানে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ পরিস্থিতি পরবর্তী দফার ক্ষেপণাস্ত্র যুদ্ধের ধরন মৌলিকভাবে বদলে দিতে পারে। সম্প্রতি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইসরাইলের রাজনীতিক ইয়াইর লাপিদ তেহরানকে সতর্ক করে বলেন, ভেনেজুয়েলায় যা ঘটছে, ইরানের শাসকগোষ্ঠীর তা ভালোভাবে লক্ষ করা উচিত। মাদুরোকে জোরপূর্বক ক্ষমতা থেকে সরানোর এক সপ্তাহ আগেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন হামলার হুমকি দিয়েছিলেন। ওয়াশিংটনের সঙ্গে কারাকাস ও তেহরানের উত্তেজনার পেছনে কারণ ও বাস্তবতা ভিন্ন হলেও বিশ্লেষকদের মতে, মাদুরোর বিরুদ্ধে ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের আশঙ্কা বাড়িয়ে দিয়েছে। ন্যাশনাল ইরানিয়ান আমেরিকান কাউন্সিলের (এনআইএসি) সভাপতি জামাল আবদি বলেন, নতুন এক ধরনের আইনহীনতা সবকিছুকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলছে এবং যুদ্ধের আশঙ্কা বাড়াচ্ছে। তার মতে, ট্রাম্প যদি সীমিত আকারের শাসন পরিবর্তনের ধারণায় মুগ্ধ হয়ে পড়েন, কিংবা নেতানিয়াহুকে এমন অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রকাশ্য সমর্থন দেন, তা হলে ইরানের সঙ্গে নতুন যুদ্ধ চাইছেন এমন বহু পক্ষই নতুন গতি পাবে। মাদুরোকে অপহরণের ঘটনা ইরানকে এমন কোনো পদক্ষেপ নিতে প্ররোচিত করতে পারে, যা সরাসরি সামরিক সংঘাতে গড়াবে। এর মধ্যে থাকতে পারে নিজস্ব সামরিক প্রতিরোধ ক্ষমতা জোরদার করা কিংবা যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরাইলের সম্ভাব্য হামলার আগেই পাল্টা আঘাত হানা। সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল পলিসির সিনিয়র ফেলো নেগার মোর্তাজাভিও একই মত দেন। তার ভাষায়, ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপ ট্রাম্প প্রশাসনের সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের লক্ষ্য স্পষ্ট করে দিয়েছে, যা কূটনীতির সম্ভাবনাকে আরও ক্ষীণ করছে। 

তেহরান থেকে যা শুনা যাচ্ছ, তাতে বোঝা যায় তারা ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনায় বসতে আগ্রহী নয়, কারণ এই প্রশাসনের আচরণে আত্মসমর্পণের ইঙ্গিতই বেশি। কূটনীতির পথ যখন বন্ধ হয়ে যায়, তখন স্বাভাবিকভাবেই সংঘাতের পথ খুলে যায়। এই মুহূর্তে ইসরাইল, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র তিন পক্ষই সম্ভাব্য সংঘাতের দিকে এগোচ্ছে। এই অভিযান যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্য নিয়ে ইরানের সব সন্দেহ ও শঙ্কাকে আরও শক্তিশালী করেছে। তার ভাষায়, ইরানের ভেতরে যারা বলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংলাপ অর্থহীন এবং পারমাণবিক প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলাই জরুরি এই পদক্ষেপ তাদের যুক্তিকে আরও জোরালো করেছে। সম্প্রতি ফ্লোরিডায় নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকের সময় ট্রাম্প হুমকি দেন, ইরান যদি আবার ক্ষেপণাস্ত্র বা পারমাণবিক কর্মসূচি গড়ে তোলে, তা হলে যুক্তরাষ্ট্র আবার বোমা হামলা চালাবে। তিনি বলেন, আমি শুনছি ইরান আবার গড়ে তুলতে চাইছে। যদি তা করে, আমাদের আবার ধ্বংস করতে হবে। আমরা পুরোপুরি ধ্বংস করব। এর আগে জুন মাসে ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে, যেখানে দেশটির শীর্ষ সামরিক কমান্ডার, একাধিক পারমাণবিক বিজ্ঞানী এবং শত শত বেসামরিক নাগরিক নিহত হন। যুক্তরাষ্ট্রও এতে যোগ দেয় এবং ইরানের তিনটি প্রধান পারমাণবিক স্থাপনায় বোমা হামলা চালায়। ট্রাম্প বারবার দাবি করেছেন, এই হামলায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়েছে এবং তিনি এটিকে বড় সাফল্য হিসেবে তুলে ধরেন। তবে হামলার পরও ইরানের শাসনব্যবস্থা টিকে থাকে। জবাবে তেহরান ইসরাইলের দিকে শত শত রকেট ছোড়ে, যার অনেকগুলো দেশটির বহুস্তরবিশিষ্ট আকাশ প্রতিরক্ষা ভেদ করে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। যুদ্ধবিরতির আগমুহূর্ত পর্যন্ত ইরানি বাহিনী পাল্টা হামলা চালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। সমালোচকদের একটি অংশ মনে করে, ইরানে সরকার পরিবর্তনই ছিল এবং এখনও রয়েছে ইসরাইলের মূল লক্ষ্য, আর ট্রাম্প ধীরে ধীরে সেই লক্ষ্যকেই সমর্থন দিচ্ছেন। ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভে যদি সরকার আবার বিক্ষোভকারীদের হত্যা করে, তা হলে যুক্তরাষ্ট্র হামলার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত থাকবে ট্রাম্প হুমকি দেন। পরে তিনি আবার একই কথা বলেন, আগের মতো মানুষ মারতে শুরু করলে, যুক্তরাষ্ট্র খুব কঠোরভাবে আঘাত হানবে। 

তা হলে কি ইরানে ভেনেজুয়েলার মতো সরকারপ্রধান অপহরণের অভিযান চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র? ট্রাম্প নিজেও বারবার খামেনিকে হত্যার হুমকি দিয়েছেন। যুদ্ধ চলাকালে ইসরাইলি কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন, তারা সর্বোচ্চ নেতাকে নির্মূল করতে চেয়েছিলেন।ইরানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শীর্ষ নেতৃত্ব নিহত হলেও যাতে রাষ্ট্রব্যবস্থা অচল না হয়, সে জন্য তারা আগেই পরিকল্পনা করে রেখেছেন। ইরানের পাল্টা আঘাতের সক্ষমতার কারণে সেখানে হঠাৎ ধরে নিয়ে যাওয়ার অভিযান চালানো অনেক বেশি জটিল ও বিপজ্জনক হবে। বিশ্লেষকদের মতে, ভেনেজুয়েলাকে চালানো এবং দেশটির তেল দখলের পরিকল্পনা এখানেই শেষ নয়। এর জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে আরও সামরিক পদক্ষেপ নিতে হতে পারে। মার্কিন জনগণ বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘ যুদ্ধ নিয়ে ক্লান্ত। তাই ট্রাম্প প্রশাসন নতুন দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ বিক্রি করতে পারবে না। তবু ট্রাম্প ইতিমধ্যে ভেনেজুয়েলায় স্থলবাহিনী পাঠানোর সম্ভাবনার কথাও বলেছেন। তিনি বলেন, আমরা মাটিতে সেনা নামাতে ভয় পাই না। দেশটি ঠিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করব।ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদে জড়িয়ে পড়লে তা পরোক্ষভাবে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ ঠেকাতেও পারে। তবে যুক্তরাষ্ট্র যদি ভেনেজুয়েলা সামলাতেই ব্যস্ত হয়ে পড়ে, তা হলে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ বা ইসরাইলের এমন যুদ্ধে সহায়তা করার মতো সক্ষমতা কমে যেতে পারে। তবে কিছু সমালোচক, এমনকি রিপাবলিকান কংগ্রেসওম্যান মার্জোরি টেলর গ্রিনও মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ভেনেজুয়েলার তেল সম্পদের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে, তা হলে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে যে ধাক্কা লাগবে, তা সামাল দেওয়া সম্ভব হবে। এক্সের রিপোর্ট বলছে, মাদুরোকে সরানো স্পষ্টতই ভেনেজুয়েলার তেল নিয়ন্ত্রণের পদক্ষেপ, যা ইরানে পরবর্তী সরকার পরিবর্তনের যুদ্ধের জন্য স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করবে। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল পরিবাহিত হয় হরমুজ প্রণালি দিয়ে, যা পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে ইরান বন্ধ করার চেষ্টা করতে পারে। তাত্ত্বিকভাবে ভেনেজুয়েলার তেল যুক্তরাষ্ট্রকে কিছুটা স্বস্তি দিতে পারে। কিন্ত পরবর্তি বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার বিষয়টিও বিবেচনায় নিতে হবে।


মাদুরোকে অপহরণ করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়ার এই অভিযানের আগে কয়েক মাস ধরে ট্রাম্প প্রশাসন ভেনেজুয়েলা সরকারের বিরুদ্ধে ক্রমেই কড়া ভাষা ব্যবহার করছিল। যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদকচক্র পরিচালনার অভিযোগ এনেছেন। একই সঙ্গে ট্রাম্প ও তার সহযোগীরা বারবার দাবি করেছেন, ভেনেজুয়েলার বিশাল তেল সম্পদের ওপর ওয়াশিংটনের অধিকার রয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওও মাদুরোর সঙ্গে ইরানের সম্পর্কের বিষয়টি জোর দিয়ে তুলে ধরছেন। কোনো প্রমাণ ছাড়াই তিনি অভিযোগ করেছেন, কারাকাস লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহকে পশ্চিম গোলার্ধে ঘাঁটি গড়তে সুযোগ দিচ্ছে। মাদুরো ইরানের ঘনিষ্ঠ মিত্র। পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞায় জর্জরিত এই দুই দেশ নিজেদের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও গভীর করার চেষ্টা করছে, যার আর্থিক পরিমাণ কয়েক বিলিয়ন ডলার বলে ধারণা করা হয়। ফলে মাদুরো ক্ষমতাচ্যুত হলে ইরানের সীমিত মিত্রজোট আরও দুর্বল হতে পারে। এর আগেই সিরিয়ায় বাশার আল আসাদের পতন এবং লেবাননে হিজবুল্লাহর শক্তি ক্ষয় হয়েছে। ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলার দ্রুত নিন্দা জানায় তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জাতিসংঘকে হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়ে এই হামলাকে ‘অবৈধ আগ্রাসন’ বলে উল্লেখ করে। বিবৃতিতে বলা হয়, জাতিসংঘের সদস্য একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক আগ্রাসন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শান্তি-নিরাপত্তার মারাত্মক লঙ্ঘন। এতে আরও বলা হয়, এর পরিণতি গোটা আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করবে এবং জাতিসংঘ সনদভিত্তিক বৈশ্বিক শৃঙ্খলার ক্ষয়কে আরও ত্বরান্বিত করবে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরাসরি হস্তক্ষেপের ইচ্ছা এবং আলি শামখানির হাত কেটে ফেলা’র কঠোর শপথ, এই দুই মেরুর লড়াই মধ্যপ্রাচ্যকে এক বড় ধরণের সামরিক সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে পারে। আগামী কয়েক সপ্তাহ তেহরানের রাজপথ এবং ওয়াশিংটনের পরবর্তী পদক্ষেপই বলে দেবে, বিশ্ব কি আরও একটি যুদ্ধের সাক্ষী হতে যাচ্ছে।

লেখক: গবেষক ও কলামিস্ট, যুক্তরাজ্য।

ডেল্টা টাইমস/রায়হান আহমেদ তপাদার/সিআর/এমই

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
  এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. জাহাঙ্গীর আলম, নির্বাহী সম্পাদক: মো. আমিনুর রহমান
প্রকাশক কর্তৃক ৩৭/২ জামান টাওয়ার (লেভেল ১৪), পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত
এবং বিসমিল্লাহ প্রিন্টিং প্রেস ২১৯ ফকিরাপুল, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত।

ফোন: ০২-২২৬৬৩৯০১৮, ০২-৪৭১২০৮৬০, ০২-৪৭১২০৮৬২, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. জাহাঙ্গীর আলম, নির্বাহী সম্পাদক: মো. আমিনুর রহমান
প্রকাশক কর্তৃক ৩৭/২ জামান টাওয়ার (লেভেল ১৪), পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত
এবং বিসমিল্লাহ প্রিন্টিং প্রেস ২১৯ ফকিরাপুল, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত।
ফোন: ০২-২২৬৬৩৯০১৮, ০২-৪৭১২০৮৬০, ০২-৪৭১২০৮৬২, ই-মেইল : [email protected], [email protected]