|
আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ‘দুর্নীতির’ অভিযোগ, বিচার দাবি ছাত্রদলের
ডেল্টা টাইমস্ ডেস্ক:
|
![]() আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ‘দুর্নীতির’ অভিযোগ, বিচার দাবি ছাত্রদলের সোমবার (১৯ জানুয়ারি) পোস্টাল ব্যালটে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পক্ষপাতদুষ্ট আচরণসহ তিন অভিযোগে ইসির সামনে দ্বিতীয় দিনের মতো ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচিতে তিনি এ দাবি করেন। আয়োজিত কর্মসূচিতে নাছির উদ্দীন নাছির বলেন, আসিফ মাহমুদ উপদেষ্টা হয়ে হাজার কোটি টাকা দুর্নীতি করেছেন। তার দুর্নীতির বিষয়ে দুদকের মাধ্যমে তদন্ত করে বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কিন্তু তিনি নির্বাচন কমিশনে এসে চোখ রাঙানি দেখাচ্ছেন। নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান— এভাবে হুমকি দেয়া চলবে না। ছাত্রদল এসব হুমকিতে ভয় পায় না। নাছির উদ্দীন নাছির বলেন, তিনটি ভিন্ন বিষয়ে ছাত্রদল শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করেছে এবং গতকাল নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি আমরা। তিনি অভিযোগ করেন, ২০১৮ সালের নিশিরাতের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ব্যালট নিজ নিজ বাড়িতে রেখে দিয়েছিল। দুঃখজনকভাবে ২০২৬ সালে এসে আমরা জামায়াতের বাসাবাড়িতে ব্যালট দেখতে পাচ্ছি। এ ঘটনা আমাদের আবারও ২০১৮ সালের নিশিরাতের নির্বাচনকে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে। তিনি আরও বলেন, বৈঠকে নির্বাচন কমিশন পোস্টাল ব্যালটের অনিয়মের বিষয়টি স্বীকার করেছে এবং অনিয়ম দূর করার আশ্বাস দিয়েছে। তবে ব্যালট কীভাবে বাসাবাড়িতে পৌঁছালো, সে বিষয়ে কমিশন কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেনি। নাছির উদ্দীন নাছির বলেন, আমরা নির্বাচন কমিশনকে স্পষ্ট করে বলেছি—নতুন রাজনৈতিক দল গঠনকারী কারও চোখ রাঙানিতে ভয় পাবেন না। আপনারা হৃদপিণ্ড শক্ত করে রাখুন এবং দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করুন। এদিকে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্যের ভূমিকা নিয়েও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, ভিসি এত মিথ্যা কথা কীভাবে বলেন, আমরা অবাক হই। গত ৫ জানুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে একটি চিঠি ইস্যু করা হয়েছিল, যেখানে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শাবিপ্রবির ছাত্র সংসদ নির্বাচন স্থগিত রাখার নির্দেশনা ছিল। কিন্তু সেই চিঠির বিষয়ে তিনি কাউকে অবগত করেননি। অভিযোগ করে তিনি বলেন, ভিসি গোপনে ছাত্রশিবিরকে ওই চিঠির বিষয়ে অবহিত করেন। পরে তিনি একদিনে ঢাকায় এসে তদবির করে তিন দিন পর নতুন করে চিঠি রি-ইস্যু করিয়ে বলেন, ২০ তারিখে নির্বাচন হবে। অথচ ১২ দিনের মধ্যে ৬ দিনই কোনো প্যানেল প্রচারণা করেনি। যদি প্রচার-প্রচারণা করা না যায়, তাহলে কীভাবে একটি প্রতিনিধিত্বমূলক নির্বাচন সম্ভব? তিনি আরও বলেন, শাবিপ্রবির ছাত্র সংসদ নির্বাচন আয়োজনের জন্য গঠিত ১৫ সদস্যের কমিটির মধ্যে ইতোমধ্যে ৮ জন পদত্যাগ করেছেন। এ অবস্থায় বিতর্কিত এই ভিসির পক্ষে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন সম্ভব নয়। নাছির উদ্দীন নাছির বলেন, আমরা ভিসিকে তার পদ ছেড়ে দেয়ার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি। পাশাপাশি দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাত পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি পালন করবো। ডেল্টা টাইমস্/আইইউ |
| « পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ » |