|
সৌন্দর্য ও শক্তির মেলবন্ধনে নোট সিরিজের নতুন ফোন আনছে ইনফিনিক্স
ডেল্টা টাইমস্ ডেস্ক:
|
![]() সৌন্দর্য ও শক্তির মেলবন্ধনে নোট সিরিজের নতুন ফোন আনছে ইনফিনিক্স ইনফিনিক্সের তথ্যমতে, আসন্ন এই স্মার্টফোনটি হবে বিশ্বের প্রথম ডিভাইস যেখানে মিডিয়াটেক ডাইমেনসিটি ৭১০০ ফাইভজি প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা হবে। এই চিপসেট কম বিদ্যুৎ খরচে বেশি পারফরম্যান্স দেওয়ার জন্য তৈরি, যা দীর্ঘ সময় ব্যবহারের সময় ব্যাটারির ওপর চাপ কমাতে সহায়তা করে। দীর্ঘক্ষণ গেম খেলা, ভিডিও দেখা কিংবা একাধিক অ্যাপ একসঙ্গে ব্যবহারের ক্ষেত্রেও স্থিতিশীল পারফরম্যান্স দেওয়ার লক্ষ্য রাখা হয়েছে। ডিসপ্লে ডিজাইনেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন নোট সিরিজের ফোনটিতে থাকছে থ্রিডি-কার্ভড ১.৫কে আই-কেয়ার ডিসপ্লে, যার বাঁক হাতের স্বাভাবিক গড়নের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এর ফলে ফোনটি ধরতে আরাম পাওয়া যাবে এবং দীর্ঘ সময় স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকলেও চোখ ও হাতে চাপ কম পড়বে বলে জানিয়েছে ইনফিনিক্স। কাজ, বিনোদন কিংবা ভ্রমণের সময় স্মার্টফোন ব্যবহারে এই বিষয়গুলো ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। ব্যাটারি সক্ষমতাও এই ডিভাইসের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। ফোনটিতে থাকছে ৬,৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার আওয়ারের আল্ট্রা-স্লিম ব্যাটারি, যা হালকা গঠন বজায় রেখেই দীর্ঘ সময় ব্যবহারের সুবিধা দেবে। ভিডিও স্ট্রিমিং, ছবি তোলা কিংবা সারাদিনের যাতায়াত—সব ধরনের দৈনন্দিন ব্যবহারে চার্জ নিয়ে দুশ্চিন্তা কমানোর লক্ষ্য রাখা হয়েছে। বর্তমান সময়ে তরুণদের অনুপ্রেরণার উৎসেও পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। বাস্তব জীবনের শৃঙ্খলা, ধারাবাহিকতা ও পরিশ্রমের উদাহরণগুলো তরুণদের মধ্যে বেশি প্রভাব ফেলছে। বাংলাদেশের নারী ফুটবল দলের সঙ্গে ইনফিনিক্সের সম্পৃক্ততা দীর্ঘমেয়াদি সহনশীলতা, দক্ষতা ও নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্সের প্রতিফলন হয়ে ফুটে উঠছে। একই ধরনের ধারাবাহিকতা ও স্থায়িত্বের ভাবনাই দৈনন্দিন ব্যবহারের স্মার্টফোন তৈরির ক্ষেত্রেও গুরুত্ব পাচ্ছে। নতুন নোট সিরিজের মাধ্যমে ইনফিনিক্স এমন একটি স্মার্টফোন অভিজ্ঞতার ইঙ্গিত দিচ্ছে, যেখানে সৌন্দর্য ও শক্তি একসঙ্গে কাজ করে, পরিমিত নকশা, কার্যকর পারফরম্যান্স এবং দীর্ঘস্থায়ী ব্যবহারের সমন্বয়ে। আসন্ন নোট সিরিজের স্মার্টফোনটির প্রি-অর্ডার ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। ইনফিনিক্স মোবিলিটি একটি উদীয়মান প্রযুক্তি ব্র্যান্ড। ২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত ইনফিনিক্স ব্র্যান্ডের আওতায় বিশ্বজুড়ে অনেক ধরনের ডিভাইস ডিজাইন, প্রস্তুত ও বাজারজাত করে থাকে কোম্পানিটি। আজকের তরুণদের জন্য অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মোবাইল ডিভাইস প্রস্তুত করা তাদের মূল লক্ষ্য। এই ফোনগুলোর মূল বৈশিষ্ট্য চমৎকার স্টাইল, পাওয়ার ও পারফরম্যান্স। ইনফিনিক্সের ট্রেন্ডি ডিভাইসগুলো ব্যবহারকারীর প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়। “ভবিষ্যৎ আমাদের হাতের মুঠোয় (দ্য ফিউচার ইজ নাও)” মূলমন্ত্র নিয়ে ইনফিনিক্স আজকের তরুণদের স্বকীয়তা তুলে ধরার জন্য অনুপ্রাণিত করতে চায়। আফ্রিকা, ল্যাটিন আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং দক্ষিণ এশিয়ার ৮টি অঞ্চলের ৭০টির বেশি দেশে এই কোম্পানির পণ্য বিক্রি করা হয়। ২০২৩ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত ইনফিনিক্সের মরক্কোতে একটি কনসেপ্ট স্টোর, এর বাইরে ৭৪টি অনুমোদিত স্টোর (৩০% ইয়ার-অন-ইয়ার বৃদ্ধি) এবং সারা পৃথিবী জুড়ে ৪৬,৭০০টি রিটেইল স্টোর আছে। ইনফিনিক্সের একটি শক্তিশালী বৈশ্বিক ফ্যানবেইজ তৈরি হয়েছে। নতুন পণ্য ও প্রযুক্তি দ্রুত ফ্যানদের হাতে পৌঁছে দেওয়ার জন্য এবং এক্সওএস ফ্যান এডিশন টেস্ট করার জন্য নিয়মিত অফলাইন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে কোম্পানিটি। আরও জানার জন্য ভিজিট করুন: http://www.infinixmobility.com/ ডেল্টা টাইমস্/আইইউ |
| « পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ » |