|
ভাইরাল ভিডিওর পর নয়াপল্টনের শারমিন একাডেমি বন্ধ, উধাও কর্তৃপক্ষ
ডেল্টা টাইমস ডেস্ক:
|
![]() ভাইরাল ভিডিওর পর নয়াপল্টনের শারমিন একাডেমি বন্ধ, উধাও কর্তৃপক্ষ পুলিশি তদন্ত শুরুর পর থেকেই প্রতিষ্ঠানটির সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এমনকি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের ব্যবহৃত সব কটি যোগাযোগ নম্বরও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকালে নয়াপল্টনের ওই এলাকা ও স্কুল প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা গেছে, স্কুল প্রাঙ্গণ ফাঁকা, নেই শিক্ষার্থী বা শিক্ষক। নেই কোনো শিক্ষার্থী বা শিক্ষক। মাঝেমধ্যে দুই-একজন অভিভাবক ও কৌতূহলী পথচারী এসে তালাবদ্ধ স্কুলের ভেতরে উঁকি দিচ্ছেন। স্কুল ভবনের কেয়ারটেকার কামরুল হক জানান, গতকাল পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি খোলা থাকলেও আজ সকাল থেকে কাউকে আসতে দেখেননি তিনি। কেন হঠাৎ স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে, সে বিষয়েও তিনি কোনো নির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারেননি। এর আগে শারমিন একাডেমির ভেতরে এক শিশুকে বেধড়ক মারধরের একটি ভিডিও বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেল থেকে অনলাইনে ভাইরাল হয়। ভিডিও ও সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, স্কুলের একটি অফিস কক্ষের ভেতরে এক ব্যক্তি শিশুটিকে নির্মমভাবে মারধর করছেন। ওই সময় পাশে এক নারী শিশুটির হাত ধরে বসে ছিলেন। এই দৃশ্য প্রকাশ্যে আসার পর দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, ভিডিওটি পর্যালোচনা করে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে ঘটনাটি নয়াপল্টনের শারমিন একাডেমিতেই ঘটেছে। পুলিশ ইতিমধ্যে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে কাজ শুরু করেছে। পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা কামাল খান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি আমাদের নজরে আসে। যাচাই-বাছাই করে আমরা নিশ্চিত হয়েছি এটি শারমিন একাডেমির ঘটনা। নির্যাতনের সঙ্গে জড়িতদের থানায় আসার জন্য নোটিশ দেওয়া হয়েছে, তবে তারা সময়ক্ষেপণ করছে।’ তিনি আরও জানান, এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। তবে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক শারমিন আক্তারসহ সংশ্লিষ্ট কয়েকজন শিক্ষককে শনাক্ত করা হয়েছে। তদন্ত শেষে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। ডেল্টা টাইমস/সিআর/এমই |
| « পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ » |