|
কাকরাইলে মির্জা আব্বাস
২১ দিনের প্রচারণা আমার রাজনৈতিক জীবনে প্রথম অভিজ্ঞতা
ডেল্টা টাইমস্ ডেস্ক:
|
![]() ২১ দিনের প্রচারণা আমার রাজনৈতিক জীবনে প্রথম অভিজ্ঞতা বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলের সেন্ট মেরি’স ক্যাথিড্রালে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন। মির্জা আব্বাস বলেন, ‘নির্বাচনের সময় খুবই সীমিত। মাত্র ২১ দিনের মধ্যে এই বিশাল এলাকায় প্রচারণা চালাতে হচ্ছে, যা আমার জন্য একদমই নতুন এক অভিজ্ঞতা।’ বাংলাদেশে কেউ ‘সংখ্যালঘু’ বা ‘সংখ্যাগরিষ্ঠ’ নয় উল্লেখ করে মির্জা আব্বাস বলেন, “আমরা সবাই সমান অধিকারসম্পন্ন বাংলাদেশি নাগরিক। ‘সংখ্যালঘু’ শব্দটি ব্যবহার করে কোনো সম্প্রদায়কে আলাদা করে দেখানো বা অপদস্থ করা ঠিক নয়। এ দেশের প্রত্যেক নাগরিকের ভোটাধিকার সমান এবং কেউ কারও ‘ভোটব্যাংক’ নয়।” সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ইসলাম ধর্মে স্পষ্টভাবে বলা আছে–যার যার ধর্ম তার তার কাছে। সেই শিক্ষার ভিত্তিতেই বাংলাদেশে সবাই মিলেমিশে বসবাস করছে। মাঝেমধ্যে কিছু কুচক্রী মহল বিদ্বেষ ছড়ানোর চেষ্টা করলেও তা সম্মিলিতভাবে প্রতিহত করা হয়। এ সময় তিনি খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের শান্তিপূর্ণ ও সাবলীল জীবনযাপনের প্রশংসা করেন এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় তাদের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন। সীমানা পুনর্নির্ধারণের ফলে সেন্ট মেরি’স ক্যাথিড্রাল ও পার্শ্ববর্তী ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো তার নির্বাচনী এলাকায় নতুন যুক্ত হয়েছে জানিয়ে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘ভোটের সংখ্যা কম মনে করে কেউ যেন নিজেকে অবহেলিত মনে না করেন। একটি ভোটও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা অন্যদের উৎসাহিত করতে পারে।’ তিনি হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান–সব সম্প্রদায়ের মানুষের কাছে ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করেন। মতবিনিময় সভা শেষে মির্জা আব্বাস কাকরাইল এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ চালান। আজ রাতে তার শান্তিনগর শেলটেক রহমান ভিলায় ফ্ল্যাট মালিকদের সঙ্গে আরও একটি মতবিনিময় সভা করার কথা রয়েছে। মতবিনিময় সভায় খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের স্থানীয় নেতারা ও বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। ডেল্টা টাইমস্/আইইউ |
| « পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ » |