
অমর একুশে বইমেলায় সাংবাদিক ও লেখক মাসুদ বিপ্লব এর প্রথম গ্রন্থ “মুখোশ ভাঙ্গার যুদ্ধ” বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। সমাজের চিত্র সম্ভার ও প্রতিচ্ছবি আত্মবিশ্বাস ও কিশোরদের স্বপ্ন, শ্রেণীবিভাজন এবং সাহস জাগিয়ে তোলার গল্প নিয়ে রচিত এই বইটির মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান মেলা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়।
‘মুখোশ ভাঙ্গার যুদ্ধ’ বইটি পাওয়া যাচ্ছে অমর একুশে বইমেলা’র নাগরিক প্রকাশন স্টলে। মানুষের সব চাইতে যে জিনিসটি সেটি হচ্ছে তার চরিত্র। আর সেই চরিত্রকেই বিভিন্ন মাধ্যমে ফুটি তোলা হয়েছে এই বইটিতে। সমাজের বাহিরে যে আরেকটি গুপ্তচর সমাজ রয়েছে অর্থাৎ এলিট সমাজ সেটি এই বই’টিতে ফুটে উঠেছে। মুখোশ ভাঙ্গার যুদ্ধ বইটিতে প্রকাশিত হয়েছে ২টি উপন্যাস ২৭ টি প্রবন্ধ এবং ১৯ টি কবিতা। যা এবারের বইমেলায় ব্যতিক্রমী একটি বই মুখোশ ভাঙ্গার যুদ্ধ।
মুখোশ ভাঙ্গার যুদ্ধ বইটিতে সাংবাদিকতার ইতিহাস ও তার অন্তরীণ প্রশ্ন, তথ্য থেকে পণ্য হয়ে ওঠার যাত্রা এবং গণতন্ত্র রক্ষার হাতিয়ার, মুক্ত সাংবাদিকতা, কাঠামোগত বিন্যাস সাংবাদিকদের কর্মপরিবেশ ও শোষণ। এছাড়াও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট ও বাংলাদেশী বাস্তবতা সহ সাংবাদিকতা, নৈতিক ও বাস্তবতার বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন লেখক মাসুদ বিপ্লব।

বিশেষ করে সাংবাদিক এবং তরুণ ও ছোট্ট শিশুদের স্বপ্ন দেখতে শেখানো এবং তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে এ ধরনের বই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সাহিত্যপ্রেমী’রা।
আমার একুশে বইমেলায় এক পাঠক বলেন, তরুণ কিশোরদের মানসিক বিকাশে অনুপ্রেরণামূলক গল্পের গুরুত্ব অনেক বেশি। এই বইয়ে কিশোরদের বিশ্বাস , স্বপ্ন ও তাদের মনের গোপন অনুভূতিগুলো কে নানান ভাবে সুন্দরকরে তুলে ধরা হয়েছে।
“মুখোশ ভাঙ্গার যুদ্ধ”বইটি’র লেখক মাসুদ বিপ্লব ঠাকুরগাঁও জেলার কৃতি সন্তান তিনি পেশায় একজন সাংবাদিক হলেও নেশা তার সমাজের বাস্তব চিত্র ফ্রেমবন্দি করে রং তুলির ক্যানভাসে তথা মৃৎ ,কাঠ ও সিমেন্ট শিল্পের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা ও সেসব তার নিজস্ব জাদুঘরে সংরক্ষণ করে রাখা তার সখ।
শহরের সরকার পাড়ায় নিরিবিলি পরিবেশে ছোট্ট পরিসরে গড়ে ইতুলেছে এই জাদুঘর’টি। তার পাশাপাশি গড়ে তুলেছেন একটি সুন্দর বইয়ের লাইব্রেরী। শিক্ষায় এলাকার মানুষ কে শিক্ষিত করে নিরক্ষর ঠাকুরগাঁও জেলা গড়ে তোলা তার জীবনের ব্রত। সকল কাজের ফাঁকে সংগ্ৰহ করে চলেছেন নানান রকমের বই।
শুধু মাত্র নিজের একক প্রচেষ্টায় কারো সাহায্য সহযোগিতা ছাড়াই তিলে তিলে গড়ে তুলেছেন এই সব প্রতিষ্ঠান। জীবনের সকল সুখ স্বাচ্ছন্দ্য ও বিলাসিতাকে বাদ দিয়ে ভাবনা শুধু কর্ম বাস্তবায়নের, ভাবেন কবে হবে বড় পরিসরে তার স্বপ্ন। সমাজের কিছু মানুষের তুচ্ছতাচ্ছিল্য মনোভাব, মানুষিক শারীরিক ভাবে সেও প্রতিপন্নতা তার কাছে বাঁধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি।
ডেল্টা টাইমস/সিআর/এমই